• ১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sukanta Majumdar

রাজ্য

“বাংলাদেশি মুসলিমদের নাগরিক হতে দেব না” বহরমপুর থেকে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি সুকান্তর

এসআইআর নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চাপানউতোর আরও তীব্র হচ্ছে। একদিকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের হুঁশিয়ারি, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়লে তারা রাস্তায় নামবে। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের নাম। এই আবহে রবিবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থেকে বড় বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।রবিবার বহরমপুরে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা-য় অংশ নেন সুকান্ত। বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে টেক্সটাইল মোড় পর্যন্ত মিছিলে হাঁটার পর সেখানে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি তীব্র ভাষায় তৃণমূলকে আক্রমণ করেন। সুকান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের কোনও অবস্থাতেই ভারতের নাগরিক হতে দেওয়া হবে না।সভা মঞ্চ থেকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীকেও কটাক্ষ করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, অধীর চৌধুরী বহুদিন রাজনীতি করেছেন এবং সবসময় ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধর্মনিরপেক্ষতার ধাক্কাতেই তাঁকে হারতে হয়েছে। ইউসুফ পাঠান আসতেই তাঁকে পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, অধীর চৌধুরী কংগ্রেসেই থাকুন, বিজেপির সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই।নাম না করে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীরকেও কড়া হুঁশিয়ারি দেন সুকান্ত। তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের এক নেতা একসময় গর্ব করে বলতেন, এখানে হিন্দু ৩০ শতাংশ আর মুসলিম ৭০ শতাংশ। এমনকি ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। এই ধরনের মানসিকতার কারণেই বাংলায় বিজেপির সরকার দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি মনে করিয়ে দেন, এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ভারতের সংবিধান সবাইকে মানতেই হবে।এসআইআর প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, বিজেপি মনে করে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি। ধর্ম নির্বিশেষে প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবেই। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে এবং তাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওভাবেই বাধা দিতে পারবেন না। তবে বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের নাম কোনওভাবেই তালিকায় রাখা হবে না বলে স্পষ্ট জানান তিনি। তাঁর দাবি, স্বাধীনতার পর যারা এ দেশ ছেড়ে গিয়েছিল, তাদের ফিরে আসার কোনও অধিকার নেই।মুর্শিদাবাদের মানুষকে বিজেপির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে সুকান্ত বলেন, জেলার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করুন। তৃণমূল সরকারকে সরাতে হলে বিজেপির সরকার দরকার।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে সুকান্ত বলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র মহিলা সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছেন। তিনি আরও বলেন, অন্য কোনও দেশে হলে এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়ে যেত। নির্বাচন কমিশনকে মানা হবে না, অথচ নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবেএটা কোনওভাবেই সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

মালা আগে দিলাম, না হলে চোরেরা দিত! বিবেকানন্দের মূর্তিতে মালা দিতে গিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ

সোমবার স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে উত্তর কলকাতার সিমলা স্ট্রিটে তাঁর বাড়িতে সকাল থেকেই ভিড় জমতে শুরু করে। ভোরের দিকেই সেখানে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিকেলে সেখানে গিয়ে বিবেকানন্দের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর আগমনকে ঘিরে আগেই এলাকায় পড়ে যায় পোস্টার, যেখানে লেখা ছিল, স্বাগতম যুবরাজ।এই যুবরাজ শব্দটিকেই হাতিয়ার করে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন সুকান্ত মজুমদার। স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তির পাদদেশে মালা দেওয়ার পর তিনি বলেন, যুবরাজ তো আসবেনই, তিনি তো বাংলার রাজপরিবারের অংশ। আমরা তো প্রজা। তাই আমি আগে এসে মালা দিয়ে গেলাম, যাতে অন্তত একজন সৎ মানুষের হাতেই আগে মালা পড়ে। না হলে এই চোরেরা মালা দিলে খুব খারাপ লাগে। কয়লা পাচার, গরু পাচারের সঙ্গে যাঁদের নাম জড়িয়ে, তাঁরা আবার স্বামীজিকে মালা দেবেন, সেটা দেখাও কষ্টকর।সোমবার সকালে সিমলা স্ট্রিটে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী শশী পাঁজা। যুবরাজ লেখা পোস্টার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির এই সব মন্তব্য নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্যকে তিনি গুরুত্বহীন এবং ঔদ্ধত্যের প্রকাশ বলেও কটাক্ষ করেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেই নয়, সিমলা স্ট্রিটে পোস্টার পড়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়েও। বিবেকানন্দের বাড়ির সামনের অংশ জুড়ে তৃণমূলের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বাগত জানানো হয়েছে। আর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি-সহ পোস্টার, যেখানে লেখা রয়েছে, গর্ব করে বল, আমি হিন্দু। এই পোস্টার বিজেপির নয়, শুভেন্দু অধিকারীর আইটি সেলের পক্ষ থেকে লাগানো হয়েছে বলে পোস্টারে উল্লেখ রয়েছে।স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সিমলা স্ট্রিটে রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি এবং পাল্টা পোস্টার-যুদ্ধ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। শ্রদ্ধার আবহে শুরু হয়ে দিনটি শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোরে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাবরি শিলান্যাসের পরই ব্রিগেডে গীতাপাঠ! বাংলায় হঠাৎ উত্তাপ, কাদের দিকে আঙুল তুললেন সুকান্ত?

৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় জাঁকজমক করে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ভোটের আগে এই ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। হুমায়ুন নতুন দল গঠনের কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন। আর তার এক দিনের মধ্যেই ব্রিগেডে আয়োজন হয়েছে পাঁচ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠান। ভোর থেকেই সেখানে ঢল নেমেছে ভক্ত ও শিষ্যদের।রাজপথ থেকে ব্রিগেড দুই জায়গাতেই একইসঙ্গে চড়ছে রাজনীতির পারদ। গীতাপাঠের মঞ্চে কার্তিক মহারাজ, সাধ্বী ঋতম্ভরা, বাবা রামদেব, ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর মতো ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে উপস্থিত থাকছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যরাও।এই পরিস্থিতিতেই হুমায়ুনের বাবরি শিলান্যাস নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, হিন্দু ভোট ভাগ করা এবং মুসলিম ভোট একত্রিত করার চেষ্টা চলছে। এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুকান্তের কথায়, হিন্দুরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বাস করে না। একুশের ভোটেই সেটা স্পষ্ট।অন্যদিকে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে রাজনীতির রং লেগেছে কি না, সে বিষয়ে সুকান্ত বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে গীতাপাঠের কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। গীতা হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান। রাজনীতি নিজের জায়গায় থাকবে, গীতা শাশ্বত।বাবরি শিলান্যাস থেকে ব্রিগেডের গীতাপাঠ দুই দিক থেকেই রাজ্যে উত্তাপ বাড়তে থাকায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
কলকাতা

লালবাজারে আটক বঙ্গ বিজেপির সভাপতি, অবস্থান থেকে পুলিশ গাড়িতে তোলা হল ৩ কাউন্সিলরকে

কসবা ল কলেজে তৃণমূল ছাত্র নেতা মনোজিৎ মিশ্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার দুই সঙ্গীকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিন গড়িয়াহাটে এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। সেখান থেকে রাজ্য সভাপতি ডঃ সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপি নেতৃত্বকে গ্রেফতার করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের নারী নিরাপত্তার অবনতি এবং কসবা লকলেজে ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ করছিল বিজেপি। এরপর দলের অন্যদের সঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে লালবাজারে আটক করে রেখেছে। সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছে, ব্যক্তিগত বন্ডে এবার আর জামিন নেবেন না। রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত সুকান্ত মজুমদার জামিন নেননি। তিনি দলের অন্যদের সঙ্গে এখন লালবাজারেই আছেন। অন্যদিকে এই সময় লালবাজারের সামনে বিক্ষোভ অবস্থান করছিল বিজেপি। সেই অবস্থান থেকে বিজেপির তিন কাউন্সিলরকে আটক করে পুলিশ। সজল ঘোষ, মীনাদেবী পুরোহিত ও বিজয় ওঝাকে আটক করে পুলিশ।

জুন ২৮, ২০২৫
রাজ্য

চাকরিহারা শিক্ষকদের আন্দোলন থেকে সুপ্রিম কোর্টের ডিএ নির্দেশ, কি বললেন সুকান্ত মজুমদার?

নিউটাউন বাস ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।গতকাল বিকাশ ভবনের সামনে শিক্ষকদের আন্দোলনে অশান্তিগতকাল রাতে যে বর্বরোচিত আচরণ শিক্ষক সমাজের উপর হয়েছে সেটা এর আগে অন্য কোনো রাজ্যে দেখা যায়নি এটা লজ্জার এরাজ্যের। বাংলার মানুষ এর জবাব দেবে। সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করা উচিত। গতকালের বিকাশ ভবন এর ঘটনা নিয়ে পুলিশের বক্তব্যযে ছবি গতকাল দেখা গিয়েছে সেটা যদি পুলিশের সংযম এর ছবি হয় তাহলে এই পুলিশ কতটা হিংস্র ভেবে দেখুন। একদিন রাজ্যের সব শিক্ষক কাজ বন্ধ করে এর প্রতিবাদ করা উচিত। পুলিশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলি হেলনে লাঠি পেটা করে এই শিক্ষকদের যোগ্য চাকরির আন্দোলনকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। গতকাল সব্যসাচী দত্ত বিকাশ ভবনসব্যসাচী দত্ত কে পাঠানো হয়েছিল গুন্ডামি করানোর জন্য। এরা পুলিশ নয় তো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থা তো এত খারাপ নয় যে হাফ প্যান্ট পরে পুলিশকে ঘুরতে হবে। শিক্ষকদের আন্দোলন বিকাশ ভবনেআসল লোক বসে আছে নবান্ন এ। তাকে প্যাঁচে ফেলুন। রাজ্য সরকার বারবার শিক্ষকদের ললি পপ দিয়ে বোকা বানিয়েছেন। গতকাল বিকাশ ভবনে সরকারি কর্মচারী ও সাধারণ মানুষ আটকে থাকাগতকাল বিকাশ ভবনে যদি সাধারণ মানুষ বা সরকারি কর্মচারী আটকে থাকে তাহলে পুলিশের উচিত ছিল বুঝিয়ে বলা। আর মনে হয় না আমার যে কোনো শিক্ষক শিক্ষিকা কোনো গর্ভবতী মহিলাকে আটকে রেখে হেনস্থা করবে বললে। সুপ্রিম কোর্ট এর নির্দেশ ডিএ নিয়েসুপ্রিম কোর্ট প্রথম নির্দেশ দিয়েছিলেন ৫০% ডিএ মেটানোর কথা ।কিন্তু পরে আজ বলা হয়েছে কোর্টের তরফে ২৫% ডিএ মেটানোর জন্য। তবে এই বকেয়া ডিএ পুরোটা মেটানো উচিত। রাজ্য সরকার এই রাজ্যকে ভিখিরিতে পরিণত করেছে।কোর্টের এই রায় কে স্বাগত জানাই। সরকার যদি চুরি না করত তাহলে এই হাল হতো না রাজ্যের। মুর্শিদাবাদের অশান্তি নিয়ে রিপোর্ট পেশযদি পূর্ব পরিকল্পিত হয় তাহলে রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ জানতে পারেনি কেন? তাহলে ব্যর্থতা কার। ব্যর্থতার দায় কে নেবে মুখ্যমন্ত্রী, ডিজি পুলিশ নাকি অন্য কেউ। দায় নিতে হবে সরকাকে।

মে ১৬, ২০২৫
রাজ্য

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে পালিত রামনবমী, শোভাযাত্রায় পা মেলালেন সুকান্ত ও

সারা রাজ্যের পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে পালিত হল রামনবমী। বুধবার সকাল থেকেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে জেলা সদর শহর বালুরঘাট মহকুমা শহর গঙ্গারামপুর বুনিয়াদপুর সহ জেলা বিভিন্ন প্রান্তে রামনবমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও বাইক র্যালি হয়। এই দিন রামনবমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় পা মেলান রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার।তাঁর সাথে এদিন উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির সভাপতি স্বরপ চৌধুরী সহ বিজেপির অন্যান্য কার্যকর্তারা। বুধবার দুপুরে গঙ্গারামপুর শহরের কালিতলা থেকে শুরু করে বাসস্ট্যান্ড বড়বাজার নিউমার্কেট এলাকায় রামনবমী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় উপস্থিত হন সুকান্ত মজুমদার। তিনি এদিন এই শোভাযাত্রায় ও পা মেলান। সূর্যের প্রখর রোদকে উপেক্ষা করে এদিন সারা জেলা জুড়েই রামনবমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় এবং বাইক র্যালিতে প্রত্যেকের উপস্থিতি ছিল যথেষ্ট লক্ষণীয়।এদিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাট মহুকুমা শহর গঙ্গারামপুর ও বুনিয়াদপুরে সুকান্ত মজুমদারের সাথে এই শোভাযাত্রায় রামনবমী উপলক্ষে ৮ থেকে ৮০-র উপস্থিতি যেমন ছিল পাশাপাশি রামনবমী উপলক্ষে গেরুয়া পতাকা হাতে নিয়ে সহস্রাধিক মানুষের এই মিছিলে উপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজনীতি

সুকান্ত, শুভেন্দুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ মমতার, পাল্টা দিলেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি

শনিবার লোকসভা ভোটের প্রচারে বালুরঘাটের তপনে জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বালুরঘাটের বিদায়ী সাংসদ তথা বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০০ দিনের কাজ ও আবাস যোজনা প্রকল্পে কেন্দ্রের অর্থ আটকে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী দায়ী করেন সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীকে। মমতা বলেন, ওরা বাংলার গদ্দার, বাংলার কুলাঙ্গার। পাল্টা জবাব দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি।এ দিন জলপাইগুড়িতে ঝড়বিধ্বস্ত এলাকা প্রদর্শনে তাঁর যাওয়া ও বিরোধী বিজেপি নেতাদের না যাওয়া নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গেই সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলার টাকা কেন্দ্রীয় সরকারের আটকে রাখার প্রসঙ্গটি আসে। মমতা বলেন, আপনাদের এখানে ওই কুসান্তবাবু আছেন, আর ও দিকে আছে গদ্দার। এরা মনে করে, যা বলবে তা-ই করতে হবে। গায়ের জোরে চালাবে।এরপরই সুকান্ত মজুমদারের নাম ধরে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন মমতা। বলেন, চ্যালেঞ্জ করছি সুকান্তবাবুকে। ভোট দেওয়ার আগে বলেননি আপনি আর গদ্দার? বাংলাকে ১০০ দিনের টাকা দেওয়া যাবে না? বাংলার বাড়ি দেওয়া যাবে না? রাস্তা দেওয়া যাবে না? কোনও দিন সারি-সারনা ধর্ম নিয়ে কথা বলেছেন দিল্লিতে গিয়ে? তারপরই মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, আপনারা বাংলার টাকা বন্ধ করেছেন, আপনারা বাংলার গদ্দার। আপনারা বাংলার কুলাঙ্গার। আপনারা বাংলার ভাল চান না। আপনারা উত্তরবঙ্গের ভাল চান না। আপনারা দক্ষিণবঙ্গেরও ভাল চান না।পরে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণের জবাব দেন সুকান্ত। বলেন, ইয়ে ডর হামে আচ্ছা লগা। বালুরঘাট কেন, উত্তরবঙ্গেও গত বারে যেমন শূন্য হাতে তৃণমূল ফিরেছিল, এ বারও শূন্য হাতে ফিরবে। কংগ্রেসও তাই। উনি ১০০ দিনের টাকার কথা বলছেন, আমি এখনও বলছি, উনি হিসাব দিন, সব টাকা কেন্দ্র দেবে। হিসাব না দিলে একটি টাকাও পাবে না। কারণ, নরেন্দ্র মোদীর শপথ, উনি চুরি করবেন না। কাউকে করতেও দেবেন না। উনি আমাকে কুসান্ত বলুন বা যতই খারাপ কথা বলুন। আমি কোনও খারাপ কথা বলব না। তার জবাবও দেব না। আমার পারিবারিক শিক্ষা তেমন নয়।সাম্প্রতিক ঝড়ে বাড়ি ভেঙে পড়া নিয়ে পাল্টা মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন সুকান্ত। বলেন, উনি বরং বলুন, এত বাড়ি ভেঙে পড়ল কেন? কেন এই মানুষজনকে উনি বাড়ি বানানোর টাকা পেতে দেননি।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
রাজ্য

দুর্ঘটনার কবলে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্তর কনভয়, মাথায় চোট

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার কবলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কনভয়। রবিবার এই ঘটনায় মাথায় চোট পেয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। চোট পেয়েছেন সুকান্তের দেহরক্ষীরাও। শান্তিপুরে যাওয়ার পথে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা। ধুবুলিয়ার বাবলা বাইপাসের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে ধুবুলিয়ার একটি ফুটবল টুর্নামেন্টে অতিথি হিসাবে অংশ নিয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে সুকান্তের কনভয়। কনভয়ের সামনে একটি বাস ছিল। সেটিকে পাশ কাটিয়ে এগনোর চেষ্টা করেছিল কনভয়। তখন সামনে ছিল পুলিশের একটি ব্যারিকেড। সেটিতে ধাক্কা খায় কনভয়ের সামনের গাড়ি। পিছন থেকে ধাক্কা দেয় পিছনের গাড়ি। এভাবে পর পর কনভয়ের গাড়িগুলি সামনের গাড়িতে ধাক্কা দেয়। মাথায় চোট পান সুকান্ত। দেহরক্ষীদের চোট অনেক বেশি। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।কয়েকদিন আগেই সন্দেশখালি কাণ্ড নিয়ে বসিরহাট পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের সময় চোট পান সুকান্ত। সন্দেশখালি কাণ্ডের প্রতিবাদে এসপি অফিসের বাইরে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধর্নায় বসেছিলেন। পুলিশ তাঁকে তুলতে গেলে ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় গাড়ির বনেটে দাঁড়িয়ে পড়েন সুকান্ত। তার পর হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ে যান তিনি। পরে তাঁকে পুলিশ বসিরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখান থেকে গাড়িতে করে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় সুকান্তকে। কয়েকদিনের মধ্যে ফের চোট পেলেন সুকান্ত।

মার্চ ০৩, ২০২৪
রাজ্য

মাঝরাতে বসিরহাটে ধুন্ধুমার, হাসপাতালে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত, কটাক্ষ তৃণমূলের

সন্দেশখালি অভিযানে গিয়ে কোমরে এবং বুকে চোট পেয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বেশ কিছুক্ষণ সংজ্ঞাহীন ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। তাঁকে প্রাথমিকভাবে ভর্তি করানো হয় বসিরহাট হাসপাতালে। তাঁকে ইনজেকশন এবং ওষুধ দেওয়া হয়। পাশাপাশি অক্সিজেনও চলছে। সেখান থেকে এরপর তাঁকে নিয়ে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের পথে রওনা দেন বিজেপি নেতা-কর্মী ও সুকান্ত মজুমদারের দেহরক্ষীরা।বসিরহাট হাসপাতাল সূত্রে খবর, সুকান্ত মজুমদারের অবস্থা স্থিতিশীল। অবস্থার সামান্য উন্নতি হওয়ার পরেই তাঁকে কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সূত্রপাত টাকিতে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সন্দেশখালি যেতে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ। তা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বের বচসা বাধে। এই সময় দেখা যায়, পুলিশের গাড়ির ওপর উঠে পড়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে নামানোর চেষ্টা করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এরপর ধুন্ধুমার শুরু হলে ঠেলাঠেলির সময় পড়ে গিয়ে মাটিতে শুয়ে পড়েন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।ধস্তাধস্তিতে তিনি আহত হয়েছেন বলে বিজেপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ। তাঁরা পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজ্য বিজেপি সভাপতিকে খুনের চেষ্টারও অভিযোগ আনেন। বিজেপি সূত্রে খবর, চোখেমুখে জল ছিটিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতির সংজ্ঞা ফেরানোর চেষ্টা হলেও কোনও লাভ হয়নি। এরপর টাকি হাসপাতালে উপযুক্ত ব্যবস্থা না-থাকায় রাজ্য বিজেপি সভাপতিকে গাড়িতে তুলে বসিরহাট হাসপাতালের পথে রওনা দেন সুকান্ত মজুমদারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ও বিজেপি কর্মীরা।সুকান্তর হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অভিনয় করছেন সুকান্ত মজুমদার? রাজ্য বিজেপি সভাপতির টাকিতে অসুস্থ হয়ে পড়া নিয়ে এমনই প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের। দলের সাংসদ তথা পেশায় চিকিৎসক ডা. শান্তনু সেন বলেন, আমার মনে হয়, সাংসদ জীবন অচিরেই শেষ হবে উপলব্ধি করে, তিনি ভবিষ্যতে বোধহয় অভিনয়ের জগতে নাম লেখাতে চাইছেন। সেজন্য একটা রিহার্সাল দিলেন। যত টিভি চ্যানেলে আমরা দেখেছি, কোথাও আমরা দেখিনি, সুকান্ত মজুমদারকে কেউ ধাক্কা মারছে বা কেউ মারধর করেছে। হঠাৎ তিনি অভিনয় করতে শুরু করলেন। অভিনয় জগতে আগামী দিনে তিনি অংশগ্রহণ করবেন বলেই মনে হচ্ছে। সেই জগতে তাঁর সাফল্য আমি অগ্রিম কামনা করছি।এর আগে বুধবার সুকান্ত মজুমদার ইছামতীর পাড়ে প্রথমে সরস্বতী পুজো করেন। কিন্তু, টাকির হোটেল থেকে বেরিয়ে সন্দেশখালির উদ্দেশে তিনি রওনা দিতে গেলেই, পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, হোটেল ঘিরে ফেলে পুলিশ। কার্যত গৃহবন্দি করা হয়েছিল সুকান্ত মজুমদারকে। সেই নিয়ে ধুন্ধুমার বাধলে পুলিশের গাড়ির ওপরে উঠে যান রাজ্য বিজেপি সভাপতি। কিন্তু, ধস্তাধস্তির সময় তিনি মাটিতে পড়ে যান এবং সংজ্ঞা হারান বলে বিজেপি নেতা-কর্মীদের দাবি। এরপরই তড়িঘড়ি সুকান্ত মজুমদারকে গাড়িতে তুলে হাসপাতালের পথে রওনা দেন বিজেপি কর্মীরা।এসবের আগে, মঙ্গলবার মাঝরাতে বসিরহাটের পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে থেকে বিজেপির ধরনা জোর করে তুলে দেন পুলিশকর্মীরা। এই সময় বেশ কিছুক্ষণের জন্য আটক করা হয় সুকান্ত মজুমদার ও কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে। কিছুক্ষণ পর অবশ্য সুকান্ত মজুমদারকে ছেড়েও দেয় পুলিশ। এই ব্যাপারে পুলিশের দাবি, মাঝরাতে বিজেপি-পুলিশ ওই খণ্ডযুদ্ধে জখম হয়েছেন এক আইসি-সহ ৩৭ জন পুলিশকর্মীও। তার মধ্যে বসিরহাট থানার আইসির হাতও ভেঙেছে। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে এক মহিলা কনস্টেবল ভর্তিও হয়েছেন। এই ঘটনায় মোট ১১ বিজেপি কর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারপরই বুধবার সন্দেশখালি যাওয়ার পরিকল্পনা করে রাজ্য বিজেপি। যদিও সুকান্ত মজুমদার অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর সেই পরিকল্পনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৪
কলকাতা

জোড়াসাঁকোর মাটি যাচ্ছে দিল্লি, স্থান পাবে আমার মাটি আমার দেশে

দিল্লির অমৃত উদ্দ্যানের জন্য মাটি সংগ্রহ কর্মসূচি বিজেপি। আজ, রবিবার রবীন্দ্রনাথের বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করল রাজ্য বিজেপি। জোড়াসাঁকোর সেই সংগৃহীত মাটি পাঠানো হবে দিল্লিতে। বিজেপির এই মাটি সংগ্রহ অভিযান প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, ওনারা মাটি পাঠান, আমরা মা-মাটি মানুষের দল। আমরা মাটি পাঠানোর বিরোধী নই।জোড়াসাঁকোর পাশাপাশি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, কালীঘাট মন্দির থেকেও মাটি সংগ্রহ করা হবে। মোদীর স্বপ্নের আমার মাটি আমার দেশ উপলক্ষ্যে ভারতের প্রতিটি মহান ব্যক্তিত্বের বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা হবে মাটি। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুর থানার সুভাষগ্রামে নেতাজির বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করা হয়।বিজেপি সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে আমার মাটি আমার দেশ নামে একটি প্রকল্প শুরু হয়েছে। দিল্লিতে তৈরি হচ্ছে অমৃত বাটিকা নামে একটি বাগান। গোটা দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মাটি সংগ্রহ করে সেই বাগানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্বাধীনতা সংগ্রামী, দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া পুলিশ বা সেনাদের বাড়ি থেকে এই মাটি সংগ্রহ করা হচ্ছে। সেই উদ্দেশ্যেই আজকের এই মাটি সংগ্রহ অভিযান।এপ্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বপ্নের অভিযান আমার মাটি আমার দেশ। রাজধানী দিল্লিতে অমৃত বাটিকা তৈরি হচ্ছে। সারা দেশ জুড়ে সেই মাটি সংগ্রহের কাজ চলছে। আমরা আজ রবীন্দ্রনাথের বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করতে পেরে গর্বিত। সংগ্রহ করা মাটি আমরা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেব।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

'তিহারে বসে বাপ-বেটি বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে, একই দশা হবে পিসি-ভাইপোর'- সুকান্ত

আপনাদের এখানকার বড় নেতা এখন দিল্লির তিহার জেলে বসে বেদের মেয়ে জোসনা সিনেমার গান গাইছেন জেলখানায় সম্বল, থালা বাটি কম্বল। এখন আবার বাপ বেটি পাশাপাশি বসে গাইছেন। অপেক্ষা করুন কয়েক মাস। পিসি আর ভাইপো একইভাবে সঙ্গে ওই গান করবেন। রবিবার বিকেলে বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ষাটপলসা মোরে জনসভায় এভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, আপনারা তৃণমূলের চোখে চোখ রেখে লড়াই করে যান। আমার কাছে খবর আছে আপনারা যখন দলীয় পতাকা বাঁধতে যাচ্ছিলেন তখন এই থানার ওসি বলেছিলেন গুলি চালিয়ে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি একজন কার্যকর্তার গায়ে গুলি চালান, হাইকোর্টে গিয়ে আপনার উর্দি খুলে দিতে না পারলে আমার নাম সুকান্ত মজুমদার নয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জটিল মণ্ডলকে আক্রমণ করে বলেন, বালি পাচারের টাকা খাবেন। একটা অংশ পুলিশকে দেবেন আর আমাদের লোকেদের ধমকাবেন চমকাবেন এটা চলতে দেওয়া যাবে না। এখন বলছি শুধরে যান। মনে রাখবেন আপনাদের বড় বড় আইপিএসদের সিবিআই, ইডি ধরে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনি তো থানার ওসি। আপনাকে তুলে নিয়ে যেতে দুমিনিট সময় লাগবে না।অনুব্রত মণ্ডলকে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগে শুনতে পেতেন খেলা হবে। কিন্তু এখন শুনতে পান? আগে ওরা কথায় কথায় দিল্লি যেত। এখন দিল্লি যেতে বললে তারা বলে দিল্লি যাব না। আরও বড় বড় চোর রয়েছে। উপর তোলার চোরদের আমরা টাইট করব। নিছু তলার চোরদের আপনারা শায়েস্তা করুণ। আপনাদের বড় নেতা চরাম চরাম, পাঁচন, নকুলদানার দাওয়াই দিতেন। এখন শোনা যাচ্ছে বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে। জেলখানা সম্বল, থানা বাটি কম্বল। আমরা দিল্লি গেলে শুনি। আর কয়েকটা মাস অপেক্ষা করুণ পিসি আর ভাইপো পাশাপাশি একই সঙ্গে বসে একই গান গাইবেন।নগর উন্নয়ন মন্ত্রী শনিবার বলেছিলেন ২৪ সালে আমারই সরকার গড়ব। সেই মন্তব্যকে কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, ২৪ সালে যদি তৃণমূল সরকার গড়ে তাহলে হাতিও জামা প্যান্ট পরে ঘুরবে। আর পারলে আমার বিরুদ্ধে সিবিআই লাগান। তবে বলে রাখি ভোটের দিন কাউকে বুথ লুঠ করতে দেবেন না। তাঁর জন্য ঝাণ্ডার সঙ্গে মোটা মোটা ডাণ্ডা রাখন। কেউ বুথ লুঠ করতে এলে শায়েস্তা করুণ। পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে এক মাসের মধ্যে আপনার বাড়িতে পৌঁছে দেব।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজ্য

অঞ্চল সভাপতির পদের দাম ১০ লক্ষ! টুইট সুকান্তর, কি বললেন তৃণমূল জেলা সভাপতি?

জনৈক তৃণমূল নেতাকে অঞ্চল সভাপতি করে দেওয়ার নামে ১০ লক্ষ টাকা দাবি। এমনই অভিযোগ উঠেছে খোদ তৃণমূল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে। রবিবার বিকেলে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের বর্তমান জেলা সভাপতি মৃণাল সরকারের তিনটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে জনৈক ব্যাক্তিকে অঞ্চল সভাপতি করে দেওয়ার নামে টাকা পয়সার কথা বলতে শোনা যায় মৃণালবাবুকে। এই বিষয় নিয়ে বিজেপি ও সিপিএম এর তরফে তৃনমুল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ভিডিও গুলি টুইট করেন। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মৃণাল সরকার। মৃণাল সরকারের দাবি, এটা দীর্ঘদিন আগেকার একটা ঘটনা। তখন আমি ব্লক সভাপতি ছিলাম, তখন কেউ এটা তুলে থাকবেন। আমি ঘুমোচ্ছিলাম। তখনই কেউ একজন এসব বলে, প্রশ্ন করে ও টাকা দিতে চায়। আমি কোনও সায় দেয়নি। ড্যান্স বারের ভিডিওর সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন মৃনাল সরকার। তিনি বলেন, খাওয়া-দাওয়ার ভিডিওটা অনেক পুরনো ও ব্যক্তিগত। তবে আমি মদ্যপান করছি এমন কোনও দৃশ্য ওই ভিডিওতে নেই। বিজেপির আইটি সেল ভোটের আগে বদনাম করার জন্যই এরকম ভিডিও ভাইরাল করছে। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এটা তৃণমূলের নতুন কিছু না। এই দলের টিকিট থেকে পদ সবই টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়। দক্ষিণ দিনাজপুর তৃণমূল জেলা সভাপতিও তাই টাকা চাইবেন, এতে কোনও আশ্চর্যের কিছু নেই। এটা তৃণমূলের ব্যবসা। টাকা দিয়েই পদ নেবেন, আবার সেই টাকা তুলবেন।

জুন ২৫, ২০২৩
রাজনীতি

২০২৪-এর মধ্যেই সিএএ লাগু নিশ্চিত? কি ঘোষণা করলেন সুকান্ত মজুমদার

ফের সিএএ লাগু করার কথা বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতার মুখে{ বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার রবিবার বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে সি এ এ জারি করা হবে। এদিন মালদার হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের পার্বতী ডাঙ্গায় কর্মীসভায় বক্তব্য রাখছিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ।পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যজুড়ে সভা করছে বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন পার্বতীডাঙ্গায় বক্তব্যে সুকান্ত বলেন, রাম মন্দির হওয়ার আগে বিরোধীরা অনেক আমাদের টিটকিরি মারতো, কবে রাম মন্দির হবে কবে? ২০২৪ এর পয়লা জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দিরের উদ্বোধন করবেন। তেমনই এখন বিরোধীরা টিটকিরি মারছে কবে সিএএ হবে। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন ২০২৪ এর মধ্যেই সিএএ হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কিছু করতে পারবে না। দেখবে আর লুচির মত ফুলবে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যে এখন একটাই প্রকল্প চলছে। পেট্রোলের দাম বাড়লো না মদের দাম বাড়িয়ে দিল। ঢকঢুগ প্রিয় অর যুগ যুগ জিও।এদিকে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য় সেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্য়ালয়ের জমি হরপ করেছেন বলে চিঠি ধরিয়েছে কতৃপক্ষ। এদিনও আরেকটা চিঠি দিয়েছে বিশ্বভারতী। সুকান্ত মজুমদার বলেন, অমর্ত্য সেনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা জমি নিয়ে সমস্যা হয়েছে। সেই সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া উচিত। জমি মাপামাপি করলে তবেই তো সমস্যা মিটবে। আমি নোবেল পেয়েছি মানে তো আমি কারও জমি দখল করতে পারি না। একটা অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগের নিষ্পত্তি হওয়া উচিত, উনি সম্মানীয় ব্যক্তি। তার নামের সাথে এই ধরনের সমস্যা মানায় না।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৩
রাজ্য

'মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্যৎ,' নদিয়ায় বললেন সুকান্ত মজুমদার

নদিয়ার জনসভাতে পঞ্চায়েত ভোটে লুট করতে এলে তৃণমূলকে দাওয়াই দেওয়ার কথা বললেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই সভাতে বক্তব্য রাখেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুনে উপস্থিতি বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে মিঠুন বলেন, এত ভালবাসা বিজেপির বাক্সে পড়বে কিনা। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে আমরা সবাই মিলে নতুন বাংলা তৈরি করি।এদিন রাজ্য সরকারের মদের কারবার নিয়ে কটাক্ষ করেন সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, গত আর্থিক বছরে রাজ্যে১০,৬৬৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে। মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্য়ৎ। যত দিন মদ খাওয়াবে ততদিন বোকা বানানো যাবে। এছাড়া রাজ্যে এই মুহূর্তে ঋণের বোঝা চাপতে বসেছেন ৫.৮৬ লক্ষ কোটি টাকা। রাজ্যে প্রতিজনের ঋণ ৬০ হাজার টাকা। বিশ্বব্যাংক সহ নানা জায়গা থেকে রাজ্য ঋণ নিয়েছে। রাজ্যটাকে বিক্রি করে দিচ্ছেন।পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সুকান্তর বক্তব্য, গতবার ভোট লুট করতে এসেছিল এবার যদি ফের লুট করতে আসে দিদির ভুতকে ঘোল ঢেলে ভুত বানিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেবেন। আর পুলিশ যদি তৃণমূল হয় তাহলে সেরকম আচরণ হবে। টিবি হাসপাতাল তৃণমূল চুরি করে নিয়েছে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজনীতি

সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ জয়নগরে, প্রতিবাদ বিজেপির

দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলল। গাড়ির ওপর একদলকে লাঠি উঁচিয়ে মারতে দেখা যায়। পাশাপাশি কালো পাতাকাও ছিল কারও কারও হাতে। পুলিশ কোনওরকমে সেখান থেকে সুকান্তর গাড়ি বের করে নিয়ে যায়। এরপরই রাজ্য সভাপতিকে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলা করেছে অভিযোগ করেছে বিজেপি।এদিন সুকান্ত মজুমদার গিয়েছিলেন জয়নগরে। সেখানে ৫ নং মন্ডলের মায়াহাউড়িতে দেখা করেন গ্রেফতার করা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে। বিজেপির দাবি, এই কর্মীদের শুভেন্দুর জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সুকান্ত বলেন, আমাকে মারতে এসেছিল, গাড়ি ভাঙতে এসেছিল। আমাকে মেরে কি হবে বাংলায় হাজার হাজার সুকান্ত মজুমদার আছে। মমতা সরকারের পতন হবেই। তা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজনীতি

অখিল গিরি বচনঃ অন্য রাজ্য হলে মন্ত্রী কারাগারে যেতেন, বললেন সুকান্ত

এ রাজ্যের কারামন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন উনি অন্য কোন রাজ্যের মন্ত্রী হলে কান ধরে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হত। শনিবার বর্ধমানে এসে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে সারা রাজ্যজুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ অব্যাহত।এদিন বিকালে বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি প্রতিবাদ র্যালি আয়োজিত হয়। এই প্রতিবাদ র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ, বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব। র্যালি শেষ হয় বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে। র্যালি শেষে বক্তব্য রাখতে এসে সুকান্ত মজুমদার বলেন, অখিল গিরির বিরুদ্ধে গোটা দেশ জুড়ে মামলা করা হবে। ওনাকে জেলে পাঠাবো। বক্তব্য রাখতে এসে তিনি আরও বলেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। জেলায় জেলায় পালা করে বোমা উদ্ধার হচ্ছে। নেতা মন্ত্রীদের আত্মীয়দের বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হচ্ছে। বিক্ষোভ সভা শেষে অখিল গিরির কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয় কার্জনগেট চত্ত্বরে।পাশাপাশি তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস আসছে। শীত পড়বে থরহরি কম্পন শুরু হবে। এই কম্পন কিসের ইঙ্গিত তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একাধিকবার ডিসেম্বরে সরকারের বিপদ বলে দাবি করে এসেছেন।

নভেম্বর ১২, ২০২২
কলকাতা

এবারে কি ক্যানিং পশ্চিম এর বিধায়ক শওকত মোল্লাকে সিবিআই নিজের হেফাজতে নেবে! কি ইঙ্গিত দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

১৩সেপ্টেম্বর বিজেপির ডাকে নবান্ন অভিযান। সরকারের দুর্নীতির প্রতিবাদে এই অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। অভিযানের আগেই হুমকির সুর রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়। নবান্ন অভিযান মিছিলে এসে তিনি জানিয়েছেন, ওই দিন পুলিশ তাঁদের জোর করে আটকালে পাল্টা প্রতিরোধ হবে। মূলত তিনটি মিছিল করে মঙ্গলবার নবান্নের দিকে এগোবে বিজেপি। কুলতলির বিধায়ক কে তিনি হুঁসিয়ার করলেন। জয়নগরের মাটিকে ধ্বংসস্তূপ করেছে তৃণমূল। শওকত মোল্লার গুন্ডাবাহিনী দিয়ে ভোট লুট চালিয়েছে। সেটা আর বেশিদিন নয় এমনই ইঙ্গিত দিলেন। বিধায়ক শওকাত মোল্লা কে সিবিআই ডেকেছে, এবার সিবিআর চা খেতে হবে এমনই ইঙ্গিত করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজনীতি

রাজ্য সরকারের একাধিক দুর্নীতি নিয়ে সরব সুকান্ত মজুমদার

যে কাজ করার কথা একজন পুলিশ আধিকারিকের সেখানে যদি খোদ মুখ্যমন্ত্রীকেই থানার একজন আইসিকে সাসপেন্ড করতে হয় তাহলে রাজ্যের মানুষের বুঝতে খুব একটা অসুবিধে হবার নয় যে, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতির কি হাল করে ছেড়েছেন তৃণমুল নেত্রী। আজ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ থানার গোপালগঞ্জে চোর ধরো জেল ভরো কর্মসূচিকে সামনে রেখে দলের এক পথসভায় যোগ দিতে এসে সংবাদিকদের বাগুইআটি থানার আইসি সাসপেন্ড করা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এই কথা বলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, রাজ্যে তো কেবল মলয় বাতাস বইছে আগে আগে দেখুন আরও কিছু ঘটবে। এর পাশাপাশি আজকে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠকে চাকরির নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশের সময় বলেছেন তিনি কোনও দুর্নীতি নিয়োগ ক্ষেত্রে মানবেন না, সে প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তো মেনে নিয়েছেন চরম দুর্নীতি হয়েছে, তার চেয়েও বড় কথা দুর্নীতি হয়েছে সেটা যে মুখ্যমন্ত্রী জানতেন তার বড় উদাহরণ উত্তরবঙ্গে এক প্রাক্তন তৃণমুল বিধায়ক তো জানিয়ে দিয়েছেন তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাচটি নাম পাঠিয়েছিলেন। তখন মুখ্যমন্ত্রী নিজে এসব বিষয়ে উৎসাহিত করেছেন, এখন সব জেনে বুঝেও নিজের দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন, বলে সুকান্ত মজুমদার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন।পাশাপাশি বাগুইআটি কান্ডের তদন্তে গিয়ে পুলিশ এলাকার বেশির ভাগ সিসিটিভি অকেজো হওয়ায় তদন্তে আসা অফিসারদের বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, তৃনমুলের লোকজন নিজেদের চুরি চামারি ঢাকতে এই সব সিসিটিভি অকেজো করে রাখে। না হলে সারা রাজ্যে যে ভাবে বালি চুরি, পাথর চুরি, কয়লা চুরি, মাটি চুরি, গরু চুরি চলছে তা যে ধরা পড়ে যাবে সে জন্য পুলিশকে বলেই তৃণমুলীরা এসব কাজ করে থাকে বলে তিনি জানান। এছাড়া হঠাৎ করে রাজ্যে সিআইডি সক্রিয় হয়ে ওঠা নিয়ে বলেন, রাজ্যে সিবিআই ইডিকে থামানোর জন্য রাজ্য সরকার এগুলো করছে। আগে করলে তবুও হতো এখন এগুলো করা হচ্ছে জাস্ট আই ওয়াস করবার জন্য।এদিকে আজকের এই পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার গতকাল বাগুইআটি কান্ডের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি তাঁকে যে কাল তৃণমুল কাউন্সিলরের নেতৃত্বে লক্ষীরভান্ডার প্রাপক মহিলাদের দিয়ে বাধা দেওয়া হয়েছে, সে কথা উল্লেখ করে বলেন অথচ ছেলেটির মা জানলা দিয়ে তাকিয়েছিল আমাদের সাথে কথা বলার জন্য।বিকাল চারটেতে এই পথসভায় সুকান্ত মজুমদারের আসার কথা থাকলেও সন্ধ্যে ৬ টা নাগাদ এই পথসভায় তিনি বক্তব্য রাখতে উঠে সম্প্রতি রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে নিয়ে বলেন, আমি পাহাড় দেখেছি দার্জিলিং গিয়ে, আর এবার টিভিতে টাকার পাহাড় দেখলাম। তাহলেই বুঝুন এই সরকারের আমলে কতরকমের দুর্নীতি হয়েছে। যার পরিমান কোটি কোটি। অনুব্রতর জেলে যাওয়ার প্রসঙ্গও বাদ যায়নি। তিনি বলেন এখানকার বেকার ভাইদের বলব এবার থেকে মাছের ব্যবসা করুন, তাহলে ১৭ কোটি ঘরে আনতে পারবেন। ছুয়ে যান প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ের টিউশনি পড়ানোর তত্ব ও তার উপার্জনের কথা। ১৩ সেপ্টেম্বর নবান্ন অভিযানে এই জেলা থেকে প্রচুর মানুষ যাতে যোগ দিতে পারে সে ব্যাপারে জোর তৎপরতা জেলা বিজেপির তরফে চলছে দেখে রাজ্য সভাপতি খুশি হন আজকের এই ছোট্ট পথসভা শেষমেষ জনসভায় রুপান্তর হতে দেখে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির চোর ধরো জেলে ভরো কর্মসূচির মহা মিছিল হাবড়ায়

১৩ আগস্ট বিজেপি-র নবান্ন অভিযান। আর তারই সমর্থনে এক মহা মিছিল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবরা থানার হাবড়ার রাজপথে, হাবরার দেশবন্ধু পার্ক থেকে জয়গাছি সুপারমার্কেট পর্যন্ত ২ কিলোমিটার পদযাত্রা করল বিজেপি। এদিনের মিছিলে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত করে পাশাপাশি জেলা নেতৃত্ব সহ রাজ্যের বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল সরকারের একাধিক বিষয় মন্তব্য করেন। কি বললেন তিনি শোনাবো। মিছিলে কয়েক হাজার বিজেপি কর্মী সমর্থকরা জমায়েত হন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

বিজপি রাজ্য সভাপতিও ১০০ দিনের কাজের টাকা দাবী করলেন, সাথে কিছু সর্ত দিলেন রাজ্য সরকারকে

আমরাও চাই কেন্দ্র ১০০ দিনের টাকা দিক দুর্নীতি মুক্ত ভাবে খরচ করার লক্ষ্য নিশ্চিত করে, বললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহলের পিছিয়ে পরার প্রভাব পরছে কলকাতায়।মঙ্গলবার সকালে জলপাইগুড়ি শহরের একটি হোটেলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই বলেন তিনি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যদের সম্পত্তি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে হাই কোর্টে যে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত বাবু বলেন, বিচারাধীন বিষয় তবুও বলছি নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অনেক কিছুই বেরিয়ে আসবে।দিদির বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে তাঁদের তাল দেওয়া হবে তৃণমূল নেতৃত্বের এই উক্তি প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, ওরা তাল দিতে আসলে আমরা তালের বড়া করে খাইয়ে দেবো।উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য গঠন প্রসঙ্গে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের রাজ্য সভাপতি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ যেমন আছে তেমনই থাকুক, কিন্তু উত্তরবঙ্গ, এবং জঙ্গলমহল যে ভাবে উন্নয়নের দিক থেকে দশকের পর দশক ধরে পিছিয়ে পরছে তাতে দু পক্ষেরই ক্ষতি, কারণ যে জায়গায় গুলো উন্নত যেমন কলকাতা তার ওপর সর্ব দিক থেকেই চাপ বাড়ছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদী-ট্রাম্প! করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে তুমুল জল্পনা

জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ানে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটো পর্বের সময় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়। করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছচ্ছিলেন, তখনই মোদী ও ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর তাঁরা একসঙ্গে ফটো পর্বেও অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর দুই নেতার এই মুখোমুখি সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।জানা গিয়েছে, বুধবার জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগে দুই নেতার শেষ মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলেও দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন।গত কয়েক মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা কারণে আলোচনায় ছিল। বাণিজ্য শুল্ক, কৌশলগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, বুধবারের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।প্রসঙ্গত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে এবারের জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সঙ্গী দেশ হিসেবে ভারত একাধিকবার এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে ভারতের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এখন সকলের নজর বুধবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি সাক্ষাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন নতুন পথে এগোয়, তা জানতেই আগ্রহী আন্তর্জাতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কার ছক? তৃণমূলের প্রতীক নিয়েই কি আদালতে যাচ্ছেন সুদীপরা!

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকে দলের শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম বড় মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় অন্দরে বিভাজন, বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে জটিলতার আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।এই আবহের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁরা তৃণমূলের নাম, প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই ধারণায় নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।দিল্লি থেকে ফেরার পর তিনি বলেন, দলের প্রতীক, সম্পত্তি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও আলোচনার বিষয়। তাঁর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, এই ধরনের বিষয় শেষ পর্যন্ত আদালতেই নিষ্পত্তি হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যেই ভবিষ্যতের আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পরও কীভাবে তৃণমূলের প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি তোলা সম্ভব? রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভার বিক্ষুব্ধ শিবিরকে একত্র করার চেষ্টা চলছে। যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীক ও সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে নতুন দাবি উঠতে পারে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। কীভাবে সবাই একসঙ্গে বসবে, কীভাবে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি হবে এবং নতুন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়েছে এবং বিধানসভা স্তরেও একই ধরনের প্রস্তুতি চলছে।আগামী কুড়ি জুলাই সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই বিদ্রোহী শিবির নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। সুদীপ জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরবর্তী পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে এবং অধিবেশন শুরুর আগেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।তবে এই জল্পনায় জল ঢেলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিদ্রোহী সাংসদরা ইতিমধ্যেই নতুন দলে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আলাদা করে কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। ফলে দুই পক্ষ একসঙ্গে আসবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট ছবি সামনে আসেনি।একুশে জুলাইয়ের আগে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই এখন তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিশেষ করে দলীয় প্রতীক, সম্পত্তি এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন কোনও আইনি লড়াই শুরু হয় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে জিতেই বিপাকে ইরান! ম্যাচ শেষ হতেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্সের পরই নতুন বিতর্কে জড়াল ইরান ফুটবল দল। দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা পুনরুদ্ধারের সময় না দিয়েই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা।সূত্রের খবর, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইরান দলকে সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে ম্যাচ ছাড়া বাকি সময় তারা অন্য দেশে অবস্থান করছে এবং সেখানেই অনুশীলন চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্রেই একটি রাত কাটানোর কথা ছিল দলের। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি ইরান শিবিরের।দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হতেই তাদের দ্রুত রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ইরান দলকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয়। সেখানেই বর্তমানে তাদের বেস ক্যাম্প রয়েছে।ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচের পর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে দলের প্রস্তুতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।কোচ আরও বলেন, শুরুতে যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ম্যাচের আগে এবং পরে নির্দিষ্ট সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইরান শিবির জানিয়েছিল, তারা মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়াতে চায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, তাদের প্রতি আলাদা ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, অধিনায়ক মেহদি তারেমি নাকি এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের অভিযোগের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের ভূমিকায় প্রশ্নচিহ্ন! আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল রাজনৈতিক চাপ

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, বিধানসভার অধিবেশন না ডেকে কীভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং স্পিকার কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে বিরোধী শিবিরের কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব আকারে স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব কী ছিল, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালতের প্রশ্ন, প্রধান বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম পাঠানো হলে স্পিকার কি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, বিরোধী শিবিরের ভিতরে মতবিরোধ থাকায় স্পিকারকে সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে অন্য একটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে বিরোধী দলের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।তবে আদালত এই যুক্তিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যদি একই দলের দুই পক্ষ আলাদা দাবি জানায়, তাহলে সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ক্ষমতার সীমা কোথায়? তিনি কি নিজে থেকেই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নাকি বিধানসভার নিয়ম মেনেই তা নির্ধারণ করতে হবে?শুনানিতে আরও উঠে আসে সই জালিয়াতির অভিযোগের প্রসঙ্গ। রাজ্যের আইনজীবী জানান, বিরোধী শিবিরের দুই বিধায়ক সই জাল করার অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু হয়। তবে বিচারপতি জানতে চান, তদন্ত শুরু হওয়ার আগে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে স্পিকার কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিলেন না।আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট, এই মামলায় স্পিকারের ভূমিকা এবং তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিচারপতি বলেন, মূল প্রশ্ন হল, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব হওয়ার পরও স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে অপেক্ষা করলেন কেন।এদিনের শুনানিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি বুধবার নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন রাজনৈতিক মহলের নজর আগামী দিনের শুনানির দিকে। আদালত কী পর্যবেক্ষণ দেয় এবং এই মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে বাঁশি বাজিয়ে কোটি টাকা! বিশ্বকাপের রেফারিদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রেফারিরা। একটি সিদ্ধান্ত কখনও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। সেই কারণেই তাঁদের কাজ সবসময় কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে একজন রেফারি কত টাকা আয় করেন?তথ্য অনুযায়ী, আগের বিশ্বকাপে রেফারিরা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রতি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হত। ম্যাচের গুরুত্ব এবং রেফারির অভিজ্ঞতার উপর সেই অঙ্ক নির্ভর করত। সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিরাও উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেতেন।এবার সেই অঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া রেফারিরা এককালীন প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্যও আলাদা পারিশ্রমিক থাকবে। প্রতিযোগিতার শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে সেই আয় আরও বাড়বে। হিসাব অনুযায়ী, ফাইনাল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করা কোনও রেফারির মোট আয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে।বিশ্বকাপে এবার শুধু পারিশ্রমিকই নয়, প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। রেফারিদের চোখের কাছে একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে দর্শকেরা সরাসরি দেখতে পারবেন, ম্যাচ চলাকালীন রেফারি ঠিক কী দেখছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি রেফারির কাজকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। দ্রুতগতির খেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা বোঝার সুযোগও পাবেন দর্শকেরা। এই বিশেষ ক্যামেরা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং রেফারির দৌড় বা নড়াচড়ার সময়ও স্থির চিত্র ধারণ করতে সক্ষম।এছাড়া রেফারিদের কানে থাকে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তাঁরা সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন। মাঠে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত মতামত বিনিময় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সব মিলিয়ে, এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁদের আয় এবং প্রযুক্তিগত সুবিধাও। ফলে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এবার নতুনভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সাড়ে ছয় ঘণ্টার জেরা শেষে সরাসরি কালীঘাটে! ভবানী ভবন থেকে বেরিয়েই কোথায় গেলেন অভিষেক?

ডিজে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জেরা চলে টানা প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা। সন্ধ্যা ছটা পঁচিশ মিনিট নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান।সূত্রের খবর, সেখানে দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সেই বৈঠকেই যোগ দেন অভিষেক। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বিজেপিকে উদ্দেশ করে করা একটি মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। একটি জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ফল ঘোষণার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজবে। সেই মন্তব্যের ভাষা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই বক্তব্যের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।এর পরেই অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। প্রথমে বিষয়টি বিধাননগর সাইবার থানায় নথিভুক্ত হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। গত সপ্তাহে তদন্তকারীরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে উপস্থিত হন তিনি।দুপুর বারোটা নাগাদ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীরা বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই জেরার পর সন্ধ্যায় ভবানী ভবন ছাড়েন অভিষেক।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। বিভিন্ন মামলায় সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ভবিষ্যতে তাঁকে আবারও ডাকা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জুন ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal