• ১৯ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sukanta Majumdar

রাজ্য

“বাংলাদেশি মুসলিমদের নাগরিক হতে দেব না” বহরমপুর থেকে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি সুকান্তর

এসআইআর নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চাপানউতোর আরও তীব্র হচ্ছে। একদিকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের হুঁশিয়ারি, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়লে তারা রাস্তায় নামবে। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের নাম। এই আবহে রবিবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থেকে বড় বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।রবিবার বহরমপুরে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা-য় অংশ নেন সুকান্ত। বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে টেক্সটাইল মোড় পর্যন্ত মিছিলে হাঁটার পর সেখানে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি তীব্র ভাষায় তৃণমূলকে আক্রমণ করেন। সুকান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের কোনও অবস্থাতেই ভারতের নাগরিক হতে দেওয়া হবে না।সভা মঞ্চ থেকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীকেও কটাক্ষ করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, অধীর চৌধুরী বহুদিন রাজনীতি করেছেন এবং সবসময় ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধর্মনিরপেক্ষতার ধাক্কাতেই তাঁকে হারতে হয়েছে। ইউসুফ পাঠান আসতেই তাঁকে পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, অধীর চৌধুরী কংগ্রেসেই থাকুন, বিজেপির সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই।নাম না করে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীরকেও কড়া হুঁশিয়ারি দেন সুকান্ত। তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের এক নেতা একসময় গর্ব করে বলতেন, এখানে হিন্দু ৩০ শতাংশ আর মুসলিম ৭০ শতাংশ। এমনকি ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। এই ধরনের মানসিকতার কারণেই বাংলায় বিজেপির সরকার দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি মনে করিয়ে দেন, এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ভারতের সংবিধান সবাইকে মানতেই হবে।এসআইআর প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, বিজেপি মনে করে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি। ধর্ম নির্বিশেষে প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবেই। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে এবং তাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওভাবেই বাধা দিতে পারবেন না। তবে বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের নাম কোনওভাবেই তালিকায় রাখা হবে না বলে স্পষ্ট জানান তিনি। তাঁর দাবি, স্বাধীনতার পর যারা এ দেশ ছেড়ে গিয়েছিল, তাদের ফিরে আসার কোনও অধিকার নেই।মুর্শিদাবাদের মানুষকে বিজেপির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে সুকান্ত বলেন, জেলার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করুন। তৃণমূল সরকারকে সরাতে হলে বিজেপির সরকার দরকার।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে সুকান্ত বলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র মহিলা সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছেন। তিনি আরও বলেন, অন্য কোনও দেশে হলে এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়ে যেত। নির্বাচন কমিশনকে মানা হবে না, অথচ নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবেএটা কোনওভাবেই সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

মালা আগে দিলাম, না হলে চোরেরা দিত! বিবেকানন্দের মূর্তিতে মালা দিতে গিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ

সোমবার স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে উত্তর কলকাতার সিমলা স্ট্রিটে তাঁর বাড়িতে সকাল থেকেই ভিড় জমতে শুরু করে। ভোরের দিকেই সেখানে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিকেলে সেখানে গিয়ে বিবেকানন্দের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর আগমনকে ঘিরে আগেই এলাকায় পড়ে যায় পোস্টার, যেখানে লেখা ছিল, স্বাগতম যুবরাজ।এই যুবরাজ শব্দটিকেই হাতিয়ার করে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন সুকান্ত মজুমদার। স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তির পাদদেশে মালা দেওয়ার পর তিনি বলেন, যুবরাজ তো আসবেনই, তিনি তো বাংলার রাজপরিবারের অংশ। আমরা তো প্রজা। তাই আমি আগে এসে মালা দিয়ে গেলাম, যাতে অন্তত একজন সৎ মানুষের হাতেই আগে মালা পড়ে। না হলে এই চোরেরা মালা দিলে খুব খারাপ লাগে। কয়লা পাচার, গরু পাচারের সঙ্গে যাঁদের নাম জড়িয়ে, তাঁরা আবার স্বামীজিকে মালা দেবেন, সেটা দেখাও কষ্টকর।সোমবার সকালে সিমলা স্ট্রিটে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী শশী পাঁজা। যুবরাজ লেখা পোস্টার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির এই সব মন্তব্য নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্যকে তিনি গুরুত্বহীন এবং ঔদ্ধত্যের প্রকাশ বলেও কটাক্ষ করেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেই নয়, সিমলা স্ট্রিটে পোস্টার পড়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়েও। বিবেকানন্দের বাড়ির সামনের অংশ জুড়ে তৃণমূলের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বাগত জানানো হয়েছে। আর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি-সহ পোস্টার, যেখানে লেখা রয়েছে, গর্ব করে বল, আমি হিন্দু। এই পোস্টার বিজেপির নয়, শুভেন্দু অধিকারীর আইটি সেলের পক্ষ থেকে লাগানো হয়েছে বলে পোস্টারে উল্লেখ রয়েছে।স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সিমলা স্ট্রিটে রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি এবং পাল্টা পোস্টার-যুদ্ধ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। শ্রদ্ধার আবহে শুরু হয়ে দিনটি শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোরে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাবরি শিলান্যাসের পরই ব্রিগেডে গীতাপাঠ! বাংলায় হঠাৎ উত্তাপ, কাদের দিকে আঙুল তুললেন সুকান্ত?

৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় জাঁকজমক করে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ভোটের আগে এই ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। হুমায়ুন নতুন দল গঠনের কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন। আর তার এক দিনের মধ্যেই ব্রিগেডে আয়োজন হয়েছে পাঁচ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠান। ভোর থেকেই সেখানে ঢল নেমেছে ভক্ত ও শিষ্যদের।রাজপথ থেকে ব্রিগেড দুই জায়গাতেই একইসঙ্গে চড়ছে রাজনীতির পারদ। গীতাপাঠের মঞ্চে কার্তিক মহারাজ, সাধ্বী ঋতম্ভরা, বাবা রামদেব, ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর মতো ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে উপস্থিত থাকছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যরাও।এই পরিস্থিতিতেই হুমায়ুনের বাবরি শিলান্যাস নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, হিন্দু ভোট ভাগ করা এবং মুসলিম ভোট একত্রিত করার চেষ্টা চলছে। এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুকান্তের কথায়, হিন্দুরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বাস করে না। একুশের ভোটেই সেটা স্পষ্ট।অন্যদিকে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে রাজনীতির রং লেগেছে কি না, সে বিষয়ে সুকান্ত বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে গীতাপাঠের কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। গীতা হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান। রাজনীতি নিজের জায়গায় থাকবে, গীতা শাশ্বত।বাবরি শিলান্যাস থেকে ব্রিগেডের গীতাপাঠ দুই দিক থেকেই রাজ্যে উত্তাপ বাড়তে থাকায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
কলকাতা

লালবাজারে আটক বঙ্গ বিজেপির সভাপতি, অবস্থান থেকে পুলিশ গাড়িতে তোলা হল ৩ কাউন্সিলরকে

কসবা ল কলেজে তৃণমূল ছাত্র নেতা মনোজিৎ মিশ্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার দুই সঙ্গীকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিন গড়িয়াহাটে এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। সেখান থেকে রাজ্য সভাপতি ডঃ সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপি নেতৃত্বকে গ্রেফতার করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের নারী নিরাপত্তার অবনতি এবং কসবা লকলেজে ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ করছিল বিজেপি। এরপর দলের অন্যদের সঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে লালবাজারে আটক করে রেখেছে। সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছে, ব্যক্তিগত বন্ডে এবার আর জামিন নেবেন না। রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত সুকান্ত মজুমদার জামিন নেননি। তিনি দলের অন্যদের সঙ্গে এখন লালবাজারেই আছেন। অন্যদিকে এই সময় লালবাজারের সামনে বিক্ষোভ অবস্থান করছিল বিজেপি। সেই অবস্থান থেকে বিজেপির তিন কাউন্সিলরকে আটক করে পুলিশ। সজল ঘোষ, মীনাদেবী পুরোহিত ও বিজয় ওঝাকে আটক করে পুলিশ।

জুন ২৮, ২০২৫
রাজ্য

চাকরিহারা শিক্ষকদের আন্দোলন থেকে সুপ্রিম কোর্টের ডিএ নির্দেশ, কি বললেন সুকান্ত মজুমদার?

নিউটাউন বাস ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।গতকাল বিকাশ ভবনের সামনে শিক্ষকদের আন্দোলনে অশান্তিগতকাল রাতে যে বর্বরোচিত আচরণ শিক্ষক সমাজের উপর হয়েছে সেটা এর আগে অন্য কোনো রাজ্যে দেখা যায়নি এটা লজ্জার এরাজ্যের। বাংলার মানুষ এর জবাব দেবে। সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করা উচিত। গতকালের বিকাশ ভবন এর ঘটনা নিয়ে পুলিশের বক্তব্যযে ছবি গতকাল দেখা গিয়েছে সেটা যদি পুলিশের সংযম এর ছবি হয় তাহলে এই পুলিশ কতটা হিংস্র ভেবে দেখুন। একদিন রাজ্যের সব শিক্ষক কাজ বন্ধ করে এর প্রতিবাদ করা উচিত। পুলিশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলি হেলনে লাঠি পেটা করে এই শিক্ষকদের যোগ্য চাকরির আন্দোলনকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। গতকাল সব্যসাচী দত্ত বিকাশ ভবনসব্যসাচী দত্ত কে পাঠানো হয়েছিল গুন্ডামি করানোর জন্য। এরা পুলিশ নয় তো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থা তো এত খারাপ নয় যে হাফ প্যান্ট পরে পুলিশকে ঘুরতে হবে। শিক্ষকদের আন্দোলন বিকাশ ভবনেআসল লোক বসে আছে নবান্ন এ। তাকে প্যাঁচে ফেলুন। রাজ্য সরকার বারবার শিক্ষকদের ললি পপ দিয়ে বোকা বানিয়েছেন। গতকাল বিকাশ ভবনে সরকারি কর্মচারী ও সাধারণ মানুষ আটকে থাকাগতকাল বিকাশ ভবনে যদি সাধারণ মানুষ বা সরকারি কর্মচারী আটকে থাকে তাহলে পুলিশের উচিত ছিল বুঝিয়ে বলা। আর মনে হয় না আমার যে কোনো শিক্ষক শিক্ষিকা কোনো গর্ভবতী মহিলাকে আটকে রেখে হেনস্থা করবে বললে। সুপ্রিম কোর্ট এর নির্দেশ ডিএ নিয়েসুপ্রিম কোর্ট প্রথম নির্দেশ দিয়েছিলেন ৫০% ডিএ মেটানোর কথা ।কিন্তু পরে আজ বলা হয়েছে কোর্টের তরফে ২৫% ডিএ মেটানোর জন্য। তবে এই বকেয়া ডিএ পুরোটা মেটানো উচিত। রাজ্য সরকার এই রাজ্যকে ভিখিরিতে পরিণত করেছে।কোর্টের এই রায় কে স্বাগত জানাই। সরকার যদি চুরি না করত তাহলে এই হাল হতো না রাজ্যের। মুর্শিদাবাদের অশান্তি নিয়ে রিপোর্ট পেশযদি পূর্ব পরিকল্পিত হয় তাহলে রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ জানতে পারেনি কেন? তাহলে ব্যর্থতা কার। ব্যর্থতার দায় কে নেবে মুখ্যমন্ত্রী, ডিজি পুলিশ নাকি অন্য কেউ। দায় নিতে হবে সরকাকে।

মে ১৬, ২০২৫
রাজ্য

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে পালিত রামনবমী, শোভাযাত্রায় পা মেলালেন সুকান্ত ও

সারা রাজ্যের পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে পালিত হল রামনবমী। বুধবার সকাল থেকেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে জেলা সদর শহর বালুরঘাট মহকুমা শহর গঙ্গারামপুর বুনিয়াদপুর সহ জেলা বিভিন্ন প্রান্তে রামনবমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও বাইক র্যালি হয়। এই দিন রামনবমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় পা মেলান রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার।তাঁর সাথে এদিন উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির সভাপতি স্বরপ চৌধুরী সহ বিজেপির অন্যান্য কার্যকর্তারা। বুধবার দুপুরে গঙ্গারামপুর শহরের কালিতলা থেকে শুরু করে বাসস্ট্যান্ড বড়বাজার নিউমার্কেট এলাকায় রামনবমী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় উপস্থিত হন সুকান্ত মজুমদার। তিনি এদিন এই শোভাযাত্রায় ও পা মেলান। সূর্যের প্রখর রোদকে উপেক্ষা করে এদিন সারা জেলা জুড়েই রামনবমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় এবং বাইক র্যালিতে প্রত্যেকের উপস্থিতি ছিল যথেষ্ট লক্ষণীয়।এদিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাট মহুকুমা শহর গঙ্গারামপুর ও বুনিয়াদপুরে সুকান্ত মজুমদারের সাথে এই শোভাযাত্রায় রামনবমী উপলক্ষে ৮ থেকে ৮০-র উপস্থিতি যেমন ছিল পাশাপাশি রামনবমী উপলক্ষে গেরুয়া পতাকা হাতে নিয়ে সহস্রাধিক মানুষের এই মিছিলে উপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজনীতি

সুকান্ত, শুভেন্দুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ মমতার, পাল্টা দিলেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি

শনিবার লোকসভা ভোটের প্রচারে বালুরঘাটের তপনে জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বালুরঘাটের বিদায়ী সাংসদ তথা বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০০ দিনের কাজ ও আবাস যোজনা প্রকল্পে কেন্দ্রের অর্থ আটকে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী দায়ী করেন সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীকে। মমতা বলেন, ওরা বাংলার গদ্দার, বাংলার কুলাঙ্গার। পাল্টা জবাব দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি।এ দিন জলপাইগুড়িতে ঝড়বিধ্বস্ত এলাকা প্রদর্শনে তাঁর যাওয়া ও বিরোধী বিজেপি নেতাদের না যাওয়া নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গেই সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলার টাকা কেন্দ্রীয় সরকারের আটকে রাখার প্রসঙ্গটি আসে। মমতা বলেন, আপনাদের এখানে ওই কুসান্তবাবু আছেন, আর ও দিকে আছে গদ্দার। এরা মনে করে, যা বলবে তা-ই করতে হবে। গায়ের জোরে চালাবে।এরপরই সুকান্ত মজুমদারের নাম ধরে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন মমতা। বলেন, চ্যালেঞ্জ করছি সুকান্তবাবুকে। ভোট দেওয়ার আগে বলেননি আপনি আর গদ্দার? বাংলাকে ১০০ দিনের টাকা দেওয়া যাবে না? বাংলার বাড়ি দেওয়া যাবে না? রাস্তা দেওয়া যাবে না? কোনও দিন সারি-সারনা ধর্ম নিয়ে কথা বলেছেন দিল্লিতে গিয়ে? তারপরই মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, আপনারা বাংলার টাকা বন্ধ করেছেন, আপনারা বাংলার গদ্দার। আপনারা বাংলার কুলাঙ্গার। আপনারা বাংলার ভাল চান না। আপনারা উত্তরবঙ্গের ভাল চান না। আপনারা দক্ষিণবঙ্গেরও ভাল চান না।পরে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণের জবাব দেন সুকান্ত। বলেন, ইয়ে ডর হামে আচ্ছা লগা। বালুরঘাট কেন, উত্তরবঙ্গেও গত বারে যেমন শূন্য হাতে তৃণমূল ফিরেছিল, এ বারও শূন্য হাতে ফিরবে। কংগ্রেসও তাই। উনি ১০০ দিনের টাকার কথা বলছেন, আমি এখনও বলছি, উনি হিসাব দিন, সব টাকা কেন্দ্র দেবে। হিসাব না দিলে একটি টাকাও পাবে না। কারণ, নরেন্দ্র মোদীর শপথ, উনি চুরি করবেন না। কাউকে করতেও দেবেন না। উনি আমাকে কুসান্ত বলুন বা যতই খারাপ কথা বলুন। আমি কোনও খারাপ কথা বলব না। তার জবাবও দেব না। আমার পারিবারিক শিক্ষা তেমন নয়।সাম্প্রতিক ঝড়ে বাড়ি ভেঙে পড়া নিয়ে পাল্টা মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন সুকান্ত। বলেন, উনি বরং বলুন, এত বাড়ি ভেঙে পড়ল কেন? কেন এই মানুষজনকে উনি বাড়ি বানানোর টাকা পেতে দেননি।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
রাজ্য

দুর্ঘটনার কবলে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্তর কনভয়, মাথায় চোট

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার কবলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কনভয়। রবিবার এই ঘটনায় মাথায় চোট পেয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। চোট পেয়েছেন সুকান্তের দেহরক্ষীরাও। শান্তিপুরে যাওয়ার পথে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা। ধুবুলিয়ার বাবলা বাইপাসের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে ধুবুলিয়ার একটি ফুটবল টুর্নামেন্টে অতিথি হিসাবে অংশ নিয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে সুকান্তের কনভয়। কনভয়ের সামনে একটি বাস ছিল। সেটিকে পাশ কাটিয়ে এগনোর চেষ্টা করেছিল কনভয়। তখন সামনে ছিল পুলিশের একটি ব্যারিকেড। সেটিতে ধাক্কা খায় কনভয়ের সামনের গাড়ি। পিছন থেকে ধাক্কা দেয় পিছনের গাড়ি। এভাবে পর পর কনভয়ের গাড়িগুলি সামনের গাড়িতে ধাক্কা দেয়। মাথায় চোট পান সুকান্ত। দেহরক্ষীদের চোট অনেক বেশি। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।কয়েকদিন আগেই সন্দেশখালি কাণ্ড নিয়ে বসিরহাট পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের সময় চোট পান সুকান্ত। সন্দেশখালি কাণ্ডের প্রতিবাদে এসপি অফিসের বাইরে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধর্নায় বসেছিলেন। পুলিশ তাঁকে তুলতে গেলে ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় গাড়ির বনেটে দাঁড়িয়ে পড়েন সুকান্ত। তার পর হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ে যান তিনি। পরে তাঁকে পুলিশ বসিরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখান থেকে গাড়িতে করে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় সুকান্তকে। কয়েকদিনের মধ্যে ফের চোট পেলেন সুকান্ত।

মার্চ ০৩, ২০২৪
রাজ্য

মাঝরাতে বসিরহাটে ধুন্ধুমার, হাসপাতালে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত, কটাক্ষ তৃণমূলের

সন্দেশখালি অভিযানে গিয়ে কোমরে এবং বুকে চোট পেয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বেশ কিছুক্ষণ সংজ্ঞাহীন ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। তাঁকে প্রাথমিকভাবে ভর্তি করানো হয় বসিরহাট হাসপাতালে। তাঁকে ইনজেকশন এবং ওষুধ দেওয়া হয়। পাশাপাশি অক্সিজেনও চলছে। সেখান থেকে এরপর তাঁকে নিয়ে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের পথে রওনা দেন বিজেপি নেতা-কর্মী ও সুকান্ত মজুমদারের দেহরক্ষীরা।বসিরহাট হাসপাতাল সূত্রে খবর, সুকান্ত মজুমদারের অবস্থা স্থিতিশীল। অবস্থার সামান্য উন্নতি হওয়ার পরেই তাঁকে কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সূত্রপাত টাকিতে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সন্দেশখালি যেতে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ। তা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বের বচসা বাধে। এই সময় দেখা যায়, পুলিশের গাড়ির ওপর উঠে পড়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে নামানোর চেষ্টা করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এরপর ধুন্ধুমার শুরু হলে ঠেলাঠেলির সময় পড়ে গিয়ে মাটিতে শুয়ে পড়েন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।ধস্তাধস্তিতে তিনি আহত হয়েছেন বলে বিজেপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ। তাঁরা পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজ্য বিজেপি সভাপতিকে খুনের চেষ্টারও অভিযোগ আনেন। বিজেপি সূত্রে খবর, চোখেমুখে জল ছিটিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতির সংজ্ঞা ফেরানোর চেষ্টা হলেও কোনও লাভ হয়নি। এরপর টাকি হাসপাতালে উপযুক্ত ব্যবস্থা না-থাকায় রাজ্য বিজেপি সভাপতিকে গাড়িতে তুলে বসিরহাট হাসপাতালের পথে রওনা দেন সুকান্ত মজুমদারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ও বিজেপি কর্মীরা।সুকান্তর হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অভিনয় করছেন সুকান্ত মজুমদার? রাজ্য বিজেপি সভাপতির টাকিতে অসুস্থ হয়ে পড়া নিয়ে এমনই প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের। দলের সাংসদ তথা পেশায় চিকিৎসক ডা. শান্তনু সেন বলেন, আমার মনে হয়, সাংসদ জীবন অচিরেই শেষ হবে উপলব্ধি করে, তিনি ভবিষ্যতে বোধহয় অভিনয়ের জগতে নাম লেখাতে চাইছেন। সেজন্য একটা রিহার্সাল দিলেন। যত টিভি চ্যানেলে আমরা দেখেছি, কোথাও আমরা দেখিনি, সুকান্ত মজুমদারকে কেউ ধাক্কা মারছে বা কেউ মারধর করেছে। হঠাৎ তিনি অভিনয় করতে শুরু করলেন। অভিনয় জগতে আগামী দিনে তিনি অংশগ্রহণ করবেন বলেই মনে হচ্ছে। সেই জগতে তাঁর সাফল্য আমি অগ্রিম কামনা করছি।এর আগে বুধবার সুকান্ত মজুমদার ইছামতীর পাড়ে প্রথমে সরস্বতী পুজো করেন। কিন্তু, টাকির হোটেল থেকে বেরিয়ে সন্দেশখালির উদ্দেশে তিনি রওনা দিতে গেলেই, পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, হোটেল ঘিরে ফেলে পুলিশ। কার্যত গৃহবন্দি করা হয়েছিল সুকান্ত মজুমদারকে। সেই নিয়ে ধুন্ধুমার বাধলে পুলিশের গাড়ির ওপরে উঠে যান রাজ্য বিজেপি সভাপতি। কিন্তু, ধস্তাধস্তির সময় তিনি মাটিতে পড়ে যান এবং সংজ্ঞা হারান বলে বিজেপি নেতা-কর্মীদের দাবি। এরপরই তড়িঘড়ি সুকান্ত মজুমদারকে গাড়িতে তুলে হাসপাতালের পথে রওনা দেন বিজেপি কর্মীরা।এসবের আগে, মঙ্গলবার মাঝরাতে বসিরহাটের পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে থেকে বিজেপির ধরনা জোর করে তুলে দেন পুলিশকর্মীরা। এই সময় বেশ কিছুক্ষণের জন্য আটক করা হয় সুকান্ত মজুমদার ও কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে। কিছুক্ষণ পর অবশ্য সুকান্ত মজুমদারকে ছেড়েও দেয় পুলিশ। এই ব্যাপারে পুলিশের দাবি, মাঝরাতে বিজেপি-পুলিশ ওই খণ্ডযুদ্ধে জখম হয়েছেন এক আইসি-সহ ৩৭ জন পুলিশকর্মীও। তার মধ্যে বসিরহাট থানার আইসির হাতও ভেঙেছে। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে এক মহিলা কনস্টেবল ভর্তিও হয়েছেন। এই ঘটনায় মোট ১১ বিজেপি কর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারপরই বুধবার সন্দেশখালি যাওয়ার পরিকল্পনা করে রাজ্য বিজেপি। যদিও সুকান্ত মজুমদার অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর সেই পরিকল্পনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৪
কলকাতা

জোড়াসাঁকোর মাটি যাচ্ছে দিল্লি, স্থান পাবে আমার মাটি আমার দেশে

দিল্লির অমৃত উদ্দ্যানের জন্য মাটি সংগ্রহ কর্মসূচি বিজেপি। আজ, রবিবার রবীন্দ্রনাথের বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করল রাজ্য বিজেপি। জোড়াসাঁকোর সেই সংগৃহীত মাটি পাঠানো হবে দিল্লিতে। বিজেপির এই মাটি সংগ্রহ অভিযান প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, ওনারা মাটি পাঠান, আমরা মা-মাটি মানুষের দল। আমরা মাটি পাঠানোর বিরোধী নই।জোড়াসাঁকোর পাশাপাশি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, কালীঘাট মন্দির থেকেও মাটি সংগ্রহ করা হবে। মোদীর স্বপ্নের আমার মাটি আমার দেশ উপলক্ষ্যে ভারতের প্রতিটি মহান ব্যক্তিত্বের বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা হবে মাটি। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুর থানার সুভাষগ্রামে নেতাজির বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করা হয়।বিজেপি সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে আমার মাটি আমার দেশ নামে একটি প্রকল্প শুরু হয়েছে। দিল্লিতে তৈরি হচ্ছে অমৃত বাটিকা নামে একটি বাগান। গোটা দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মাটি সংগ্রহ করে সেই বাগানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্বাধীনতা সংগ্রামী, দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া পুলিশ বা সেনাদের বাড়ি থেকে এই মাটি সংগ্রহ করা হচ্ছে। সেই উদ্দেশ্যেই আজকের এই মাটি সংগ্রহ অভিযান।এপ্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বপ্নের অভিযান আমার মাটি আমার দেশ। রাজধানী দিল্লিতে অমৃত বাটিকা তৈরি হচ্ছে। সারা দেশ জুড়ে সেই মাটি সংগ্রহের কাজ চলছে। আমরা আজ রবীন্দ্রনাথের বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করতে পেরে গর্বিত। সংগ্রহ করা মাটি আমরা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেব।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

'তিহারে বসে বাপ-বেটি বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে, একই দশা হবে পিসি-ভাইপোর'- সুকান্ত

আপনাদের এখানকার বড় নেতা এখন দিল্লির তিহার জেলে বসে বেদের মেয়ে জোসনা সিনেমার গান গাইছেন জেলখানায় সম্বল, থালা বাটি কম্বল। এখন আবার বাপ বেটি পাশাপাশি বসে গাইছেন। অপেক্ষা করুন কয়েক মাস। পিসি আর ভাইপো একইভাবে সঙ্গে ওই গান করবেন। রবিবার বিকেলে বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ষাটপলসা মোরে জনসভায় এভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, আপনারা তৃণমূলের চোখে চোখ রেখে লড়াই করে যান। আমার কাছে খবর আছে আপনারা যখন দলীয় পতাকা বাঁধতে যাচ্ছিলেন তখন এই থানার ওসি বলেছিলেন গুলি চালিয়ে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি একজন কার্যকর্তার গায়ে গুলি চালান, হাইকোর্টে গিয়ে আপনার উর্দি খুলে দিতে না পারলে আমার নাম সুকান্ত মজুমদার নয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জটিল মণ্ডলকে আক্রমণ করে বলেন, বালি পাচারের টাকা খাবেন। একটা অংশ পুলিশকে দেবেন আর আমাদের লোকেদের ধমকাবেন চমকাবেন এটা চলতে দেওয়া যাবে না। এখন বলছি শুধরে যান। মনে রাখবেন আপনাদের বড় বড় আইপিএসদের সিবিআই, ইডি ধরে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনি তো থানার ওসি। আপনাকে তুলে নিয়ে যেতে দুমিনিট সময় লাগবে না।অনুব্রত মণ্ডলকে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগে শুনতে পেতেন খেলা হবে। কিন্তু এখন শুনতে পান? আগে ওরা কথায় কথায় দিল্লি যেত। এখন দিল্লি যেতে বললে তারা বলে দিল্লি যাব না। আরও বড় বড় চোর রয়েছে। উপর তোলার চোরদের আমরা টাইট করব। নিছু তলার চোরদের আপনারা শায়েস্তা করুণ। আপনাদের বড় নেতা চরাম চরাম, পাঁচন, নকুলদানার দাওয়াই দিতেন। এখন শোনা যাচ্ছে বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে। জেলখানা সম্বল, থানা বাটি কম্বল। আমরা দিল্লি গেলে শুনি। আর কয়েকটা মাস অপেক্ষা করুণ পিসি আর ভাইপো পাশাপাশি একই সঙ্গে বসে একই গান গাইবেন।নগর উন্নয়ন মন্ত্রী শনিবার বলেছিলেন ২৪ সালে আমারই সরকার গড়ব। সেই মন্তব্যকে কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, ২৪ সালে যদি তৃণমূল সরকার গড়ে তাহলে হাতিও জামা প্যান্ট পরে ঘুরবে। আর পারলে আমার বিরুদ্ধে সিবিআই লাগান। তবে বলে রাখি ভোটের দিন কাউকে বুথ লুঠ করতে দেবেন না। তাঁর জন্য ঝাণ্ডার সঙ্গে মোটা মোটা ডাণ্ডা রাখন। কেউ বুথ লুঠ করতে এলে শায়েস্তা করুণ। পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে এক মাসের মধ্যে আপনার বাড়িতে পৌঁছে দেব।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজ্য

অঞ্চল সভাপতির পদের দাম ১০ লক্ষ! টুইট সুকান্তর, কি বললেন তৃণমূল জেলা সভাপতি?

জনৈক তৃণমূল নেতাকে অঞ্চল সভাপতি করে দেওয়ার নামে ১০ লক্ষ টাকা দাবি। এমনই অভিযোগ উঠেছে খোদ তৃণমূল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে। রবিবার বিকেলে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের বর্তমান জেলা সভাপতি মৃণাল সরকারের তিনটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে জনৈক ব্যাক্তিকে অঞ্চল সভাপতি করে দেওয়ার নামে টাকা পয়সার কথা বলতে শোনা যায় মৃণালবাবুকে। এই বিষয় নিয়ে বিজেপি ও সিপিএম এর তরফে তৃনমুল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ভিডিও গুলি টুইট করেন। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মৃণাল সরকার। মৃণাল সরকারের দাবি, এটা দীর্ঘদিন আগেকার একটা ঘটনা। তখন আমি ব্লক সভাপতি ছিলাম, তখন কেউ এটা তুলে থাকবেন। আমি ঘুমোচ্ছিলাম। তখনই কেউ একজন এসব বলে, প্রশ্ন করে ও টাকা দিতে চায়। আমি কোনও সায় দেয়নি। ড্যান্স বারের ভিডিওর সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন মৃনাল সরকার। তিনি বলেন, খাওয়া-দাওয়ার ভিডিওটা অনেক পুরনো ও ব্যক্তিগত। তবে আমি মদ্যপান করছি এমন কোনও দৃশ্য ওই ভিডিওতে নেই। বিজেপির আইটি সেল ভোটের আগে বদনাম করার জন্যই এরকম ভিডিও ভাইরাল করছে। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এটা তৃণমূলের নতুন কিছু না। এই দলের টিকিট থেকে পদ সবই টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়। দক্ষিণ দিনাজপুর তৃণমূল জেলা সভাপতিও তাই টাকা চাইবেন, এতে কোনও আশ্চর্যের কিছু নেই। এটা তৃণমূলের ব্যবসা। টাকা দিয়েই পদ নেবেন, আবার সেই টাকা তুলবেন।

জুন ২৫, ২০২৩
রাজনীতি

২০২৪-এর মধ্যেই সিএএ লাগু নিশ্চিত? কি ঘোষণা করলেন সুকান্ত মজুমদার

ফের সিএএ লাগু করার কথা বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতার মুখে{ বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার রবিবার বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে সি এ এ জারি করা হবে। এদিন মালদার হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের পার্বতী ডাঙ্গায় কর্মীসভায় বক্তব্য রাখছিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ।পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যজুড়ে সভা করছে বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন পার্বতীডাঙ্গায় বক্তব্যে সুকান্ত বলেন, রাম মন্দির হওয়ার আগে বিরোধীরা অনেক আমাদের টিটকিরি মারতো, কবে রাম মন্দির হবে কবে? ২০২৪ এর পয়লা জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দিরের উদ্বোধন করবেন। তেমনই এখন বিরোধীরা টিটকিরি মারছে কবে সিএএ হবে। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন ২০২৪ এর মধ্যেই সিএএ হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কিছু করতে পারবে না। দেখবে আর লুচির মত ফুলবে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যে এখন একটাই প্রকল্প চলছে। পেট্রোলের দাম বাড়লো না মদের দাম বাড়িয়ে দিল। ঢকঢুগ প্রিয় অর যুগ যুগ জিও।এদিকে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য় সেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্য়ালয়ের জমি হরপ করেছেন বলে চিঠি ধরিয়েছে কতৃপক্ষ। এদিনও আরেকটা চিঠি দিয়েছে বিশ্বভারতী। সুকান্ত মজুমদার বলেন, অমর্ত্য সেনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা জমি নিয়ে সমস্যা হয়েছে। সেই সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া উচিত। জমি মাপামাপি করলে তবেই তো সমস্যা মিটবে। আমি নোবেল পেয়েছি মানে তো আমি কারও জমি দখল করতে পারি না। একটা অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগের নিষ্পত্তি হওয়া উচিত, উনি সম্মানীয় ব্যক্তি। তার নামের সাথে এই ধরনের সমস্যা মানায় না।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৩
রাজ্য

'মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্যৎ,' নদিয়ায় বললেন সুকান্ত মজুমদার

নদিয়ার জনসভাতে পঞ্চায়েত ভোটে লুট করতে এলে তৃণমূলকে দাওয়াই দেওয়ার কথা বললেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই সভাতে বক্তব্য রাখেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুনে উপস্থিতি বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে মিঠুন বলেন, এত ভালবাসা বিজেপির বাক্সে পড়বে কিনা। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে আমরা সবাই মিলে নতুন বাংলা তৈরি করি।এদিন রাজ্য সরকারের মদের কারবার নিয়ে কটাক্ষ করেন সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, গত আর্থিক বছরে রাজ্যে১০,৬৬৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে। মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্য়ৎ। যত দিন মদ খাওয়াবে ততদিন বোকা বানানো যাবে। এছাড়া রাজ্যে এই মুহূর্তে ঋণের বোঝা চাপতে বসেছেন ৫.৮৬ লক্ষ কোটি টাকা। রাজ্যে প্রতিজনের ঋণ ৬০ হাজার টাকা। বিশ্বব্যাংক সহ নানা জায়গা থেকে রাজ্য ঋণ নিয়েছে। রাজ্যটাকে বিক্রি করে দিচ্ছেন।পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সুকান্তর বক্তব্য, গতবার ভোট লুট করতে এসেছিল এবার যদি ফের লুট করতে আসে দিদির ভুতকে ঘোল ঢেলে ভুত বানিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেবেন। আর পুলিশ যদি তৃণমূল হয় তাহলে সেরকম আচরণ হবে। টিবি হাসপাতাল তৃণমূল চুরি করে নিয়েছে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজনীতি

সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ জয়নগরে, প্রতিবাদ বিজেপির

দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলল। গাড়ির ওপর একদলকে লাঠি উঁচিয়ে মারতে দেখা যায়। পাশাপাশি কালো পাতাকাও ছিল কারও কারও হাতে। পুলিশ কোনওরকমে সেখান থেকে সুকান্তর গাড়ি বের করে নিয়ে যায়। এরপরই রাজ্য সভাপতিকে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলা করেছে অভিযোগ করেছে বিজেপি।এদিন সুকান্ত মজুমদার গিয়েছিলেন জয়নগরে। সেখানে ৫ নং মন্ডলের মায়াহাউড়িতে দেখা করেন গ্রেফতার করা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে। বিজেপির দাবি, এই কর্মীদের শুভেন্দুর জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সুকান্ত বলেন, আমাকে মারতে এসেছিল, গাড়ি ভাঙতে এসেছিল। আমাকে মেরে কি হবে বাংলায় হাজার হাজার সুকান্ত মজুমদার আছে। মমতা সরকারের পতন হবেই। তা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজনীতি

অখিল গিরি বচনঃ অন্য রাজ্য হলে মন্ত্রী কারাগারে যেতেন, বললেন সুকান্ত

এ রাজ্যের কারামন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন উনি অন্য কোন রাজ্যের মন্ত্রী হলে কান ধরে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হত। শনিবার বর্ধমানে এসে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে সারা রাজ্যজুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ অব্যাহত।এদিন বিকালে বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি প্রতিবাদ র্যালি আয়োজিত হয়। এই প্রতিবাদ র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ, বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব। র্যালি শেষ হয় বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে। র্যালি শেষে বক্তব্য রাখতে এসে সুকান্ত মজুমদার বলেন, অখিল গিরির বিরুদ্ধে গোটা দেশ জুড়ে মামলা করা হবে। ওনাকে জেলে পাঠাবো। বক্তব্য রাখতে এসে তিনি আরও বলেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। জেলায় জেলায় পালা করে বোমা উদ্ধার হচ্ছে। নেতা মন্ত্রীদের আত্মীয়দের বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হচ্ছে। বিক্ষোভ সভা শেষে অখিল গিরির কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয় কার্জনগেট চত্ত্বরে।পাশাপাশি তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস আসছে। শীত পড়বে থরহরি কম্পন শুরু হবে। এই কম্পন কিসের ইঙ্গিত তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একাধিকবার ডিসেম্বরে সরকারের বিপদ বলে দাবি করে এসেছেন।

নভেম্বর ১২, ২০২২
কলকাতা

এবারে কি ক্যানিং পশ্চিম এর বিধায়ক শওকত মোল্লাকে সিবিআই নিজের হেফাজতে নেবে! কি ইঙ্গিত দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

১৩সেপ্টেম্বর বিজেপির ডাকে নবান্ন অভিযান। সরকারের দুর্নীতির প্রতিবাদে এই অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। অভিযানের আগেই হুমকির সুর রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়। নবান্ন অভিযান মিছিলে এসে তিনি জানিয়েছেন, ওই দিন পুলিশ তাঁদের জোর করে আটকালে পাল্টা প্রতিরোধ হবে। মূলত তিনটি মিছিল করে মঙ্গলবার নবান্নের দিকে এগোবে বিজেপি। কুলতলির বিধায়ক কে তিনি হুঁসিয়ার করলেন। জয়নগরের মাটিকে ধ্বংসস্তূপ করেছে তৃণমূল। শওকত মোল্লার গুন্ডাবাহিনী দিয়ে ভোট লুট চালিয়েছে। সেটা আর বেশিদিন নয় এমনই ইঙ্গিত দিলেন। বিধায়ক শওকাত মোল্লা কে সিবিআই ডেকেছে, এবার সিবিআর চা খেতে হবে এমনই ইঙ্গিত করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজনীতি

রাজ্য সরকারের একাধিক দুর্নীতি নিয়ে সরব সুকান্ত মজুমদার

যে কাজ করার কথা একজন পুলিশ আধিকারিকের সেখানে যদি খোদ মুখ্যমন্ত্রীকেই থানার একজন আইসিকে সাসপেন্ড করতে হয় তাহলে রাজ্যের মানুষের বুঝতে খুব একটা অসুবিধে হবার নয় যে, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতির কি হাল করে ছেড়েছেন তৃণমুল নেত্রী। আজ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ থানার গোপালগঞ্জে চোর ধরো জেল ভরো কর্মসূচিকে সামনে রেখে দলের এক পথসভায় যোগ দিতে এসে সংবাদিকদের বাগুইআটি থানার আইসি সাসপেন্ড করা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এই কথা বলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, রাজ্যে তো কেবল মলয় বাতাস বইছে আগে আগে দেখুন আরও কিছু ঘটবে। এর পাশাপাশি আজকে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠকে চাকরির নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশের সময় বলেছেন তিনি কোনও দুর্নীতি নিয়োগ ক্ষেত্রে মানবেন না, সে প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তো মেনে নিয়েছেন চরম দুর্নীতি হয়েছে, তার চেয়েও বড় কথা দুর্নীতি হয়েছে সেটা যে মুখ্যমন্ত্রী জানতেন তার বড় উদাহরণ উত্তরবঙ্গে এক প্রাক্তন তৃণমুল বিধায়ক তো জানিয়ে দিয়েছেন তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাচটি নাম পাঠিয়েছিলেন। তখন মুখ্যমন্ত্রী নিজে এসব বিষয়ে উৎসাহিত করেছেন, এখন সব জেনে বুঝেও নিজের দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন, বলে সুকান্ত মজুমদার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন।পাশাপাশি বাগুইআটি কান্ডের তদন্তে গিয়ে পুলিশ এলাকার বেশির ভাগ সিসিটিভি অকেজো হওয়ায় তদন্তে আসা অফিসারদের বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, তৃনমুলের লোকজন নিজেদের চুরি চামারি ঢাকতে এই সব সিসিটিভি অকেজো করে রাখে। না হলে সারা রাজ্যে যে ভাবে বালি চুরি, পাথর চুরি, কয়লা চুরি, মাটি চুরি, গরু চুরি চলছে তা যে ধরা পড়ে যাবে সে জন্য পুলিশকে বলেই তৃণমুলীরা এসব কাজ করে থাকে বলে তিনি জানান। এছাড়া হঠাৎ করে রাজ্যে সিআইডি সক্রিয় হয়ে ওঠা নিয়ে বলেন, রাজ্যে সিবিআই ইডিকে থামানোর জন্য রাজ্য সরকার এগুলো করছে। আগে করলে তবুও হতো এখন এগুলো করা হচ্ছে জাস্ট আই ওয়াস করবার জন্য।এদিকে আজকের এই পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার গতকাল বাগুইআটি কান্ডের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি তাঁকে যে কাল তৃণমুল কাউন্সিলরের নেতৃত্বে লক্ষীরভান্ডার প্রাপক মহিলাদের দিয়ে বাধা দেওয়া হয়েছে, সে কথা উল্লেখ করে বলেন অথচ ছেলেটির মা জানলা দিয়ে তাকিয়েছিল আমাদের সাথে কথা বলার জন্য।বিকাল চারটেতে এই পথসভায় সুকান্ত মজুমদারের আসার কথা থাকলেও সন্ধ্যে ৬ টা নাগাদ এই পথসভায় তিনি বক্তব্য রাখতে উঠে সম্প্রতি রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে নিয়ে বলেন, আমি পাহাড় দেখেছি দার্জিলিং গিয়ে, আর এবার টিভিতে টাকার পাহাড় দেখলাম। তাহলেই বুঝুন এই সরকারের আমলে কতরকমের দুর্নীতি হয়েছে। যার পরিমান কোটি কোটি। অনুব্রতর জেলে যাওয়ার প্রসঙ্গও বাদ যায়নি। তিনি বলেন এখানকার বেকার ভাইদের বলব এবার থেকে মাছের ব্যবসা করুন, তাহলে ১৭ কোটি ঘরে আনতে পারবেন। ছুয়ে যান প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ের টিউশনি পড়ানোর তত্ব ও তার উপার্জনের কথা। ১৩ সেপ্টেম্বর নবান্ন অভিযানে এই জেলা থেকে প্রচুর মানুষ যাতে যোগ দিতে পারে সে ব্যাপারে জোর তৎপরতা জেলা বিজেপির তরফে চলছে দেখে রাজ্য সভাপতি খুশি হন আজকের এই ছোট্ট পথসভা শেষমেষ জনসভায় রুপান্তর হতে দেখে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির চোর ধরো জেলে ভরো কর্মসূচির মহা মিছিল হাবড়ায়

১৩ আগস্ট বিজেপি-র নবান্ন অভিযান। আর তারই সমর্থনে এক মহা মিছিল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবরা থানার হাবড়ার রাজপথে, হাবরার দেশবন্ধু পার্ক থেকে জয়গাছি সুপারমার্কেট পর্যন্ত ২ কিলোমিটার পদযাত্রা করল বিজেপি। এদিনের মিছিলে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত করে পাশাপাশি জেলা নেতৃত্ব সহ রাজ্যের বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল সরকারের একাধিক বিষয় মন্তব্য করেন। কি বললেন তিনি শোনাবো। মিছিলে কয়েক হাজার বিজেপি কর্মী সমর্থকরা জমায়েত হন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

বিজপি রাজ্য সভাপতিও ১০০ দিনের কাজের টাকা দাবী করলেন, সাথে কিছু সর্ত দিলেন রাজ্য সরকারকে

আমরাও চাই কেন্দ্র ১০০ দিনের টাকা দিক দুর্নীতি মুক্ত ভাবে খরচ করার লক্ষ্য নিশ্চিত করে, বললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহলের পিছিয়ে পরার প্রভাব পরছে কলকাতায়।মঙ্গলবার সকালে জলপাইগুড়ি শহরের একটি হোটেলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই বলেন তিনি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যদের সম্পত্তি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে হাই কোর্টে যে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত বাবু বলেন, বিচারাধীন বিষয় তবুও বলছি নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অনেক কিছুই বেরিয়ে আসবে।দিদির বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে তাঁদের তাল দেওয়া হবে তৃণমূল নেতৃত্বের এই উক্তি প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, ওরা তাল দিতে আসলে আমরা তালের বড়া করে খাইয়ে দেবো।উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য গঠন প্রসঙ্গে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের রাজ্য সভাপতি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ যেমন আছে তেমনই থাকুক, কিন্তু উত্তরবঙ্গ, এবং জঙ্গলমহল যে ভাবে উন্নয়নের দিক থেকে দশকের পর দশক ধরে পিছিয়ে পরছে তাতে দু পক্ষেরই ক্ষতি, কারণ যে জায়গায় গুলো উন্নত যেমন কলকাতা তার ওপর সর্ব দিক থেকেই চাপ বাড়ছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার একেবারে কাছে ভারতের নতুন বিমানঘাঁটি, এবার কী বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে সেনা?

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। গত বছর চালু হয়েছে লাদাখের নোওমা বিমানঘাঁটি। সীমান্তে যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার কথা মাথায় রেখেই বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে এই বিমানঘাঁটি। সেনা সূত্রে খবর, কৌশলগত দিক থেকে ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটি।২০২১ সালে এই প্রকল্পে অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। বিমানঘাঁটি তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২১৪ কোটি টাকা। অনুমোদন পাওয়ার পরেই শুরু হয় নির্মাণের কাজ। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে গত বছর চালু হয় এই বিমানঘাঁটি।লাদাখের নোওমা অঞ্চল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছেই অবস্থিত। সেই কারণে এই বিমানঘাঁটির গুরুত্ব অনেকটাই বেশি। সীমান্তে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত সেখানে পৌঁছতে পারবেন বায়ুসেনার কর্মীরা। পাশাপাশি উত্তর সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও সহজে পৌঁছনো সম্ভব হবে।লাদাখের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্থলপথে যাতায়াত বেশ কঠিন। বিশেষ করে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম পাহাড়ি রাস্তার কারণে অনেক সময় সেনার কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিতে সমস্যা হয়। নোওমা বিমানঘাঁটি চালু হওয়ায় সেই সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভারতের উত্তর সীমান্তের নিরাপত্তা এবং সেনার দ্রুত যাতায়াতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে এই বিমানঘাঁটি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘খুব তাড়াতাড়ি জেলে যাবেন অভিষেক’, কালীঘাটের অশান্তির পর বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেতার!

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তাঁর দাবি, খুব তাড়াতাড়ি জেলে যেতে হতে পারে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। শনিবার কল্যাণীতে সাংসদ কার্যালয়ের উদ্বোধন করতে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। কালীঘাটে অভিষেকের বাড়ির সামনে রাতভর উত্তেজনা এবং পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার প্রসঙ্গ উঠতেই এই দাবি করেন শান্তনু।বনগাঁ লোকসভার অন্তর্গত কল্যাণী বিধানসভা। ২০১৯ এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। এত দিন কল্যাণী-সহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সাংসদের সঙ্গে দেখা করতে বা বিভিন্ন কাজের জন্য বনগাঁয় যেতে হত। সেই সমস্যা দূর করতেই কল্যাণীতে নতুন সাংসদ কার্যালয় চালু করলেন তিনি।শনিবার কল্যাণীর নিমতলা এলাকায় একটি শপিং মলের কাছে এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন শান্তনু। অনুষ্ঠানে শতাধিক দুঃস্থ ও অসহায় মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য হুইলচেয়ারও দেওয়া হয়।অনুষ্ঠান শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, নতুন সাংসদ কার্যালয় থেকে এলাকার সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এর পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শান্তনু বলেন, খুব তাড়াতাড়ি গ্রেফতার হতে পারেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপ্রতিমা নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে দাবি। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে দেখতে পেয়ে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় পুলিশকর্মীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়।অভিষেক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বাড়ির নীচে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তিনি রাজি হননি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে।শুক্রবার রাতের ঘটনার রেশ গড়ায় শনিবারেও। দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাতে মাইক নিয়ে দুবার বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন তিনি। বিজেপি ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।এই পরিস্থিতিতে শান্তনু ঠাকুরের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আমার ওপর দিয়ে বুলডোজার চালাতে হবে! অভিষেকের বাড়ির সঙ্গে হুঙ্কার মমতার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী জোটে থাকার কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে ইচ্ছাকৃত ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। নাম না করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপুজোর প্রতিমা আনতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। তাঁর ব্যানার ও কাটআউটও ছিঁড়ে ফেলা হয়। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে সামনে দেখে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পাল্টা স্লোগানেও উত্তেজনা বাড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় আরও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।অভিষেকও কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বাড়ির সামনে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তাতে রাজি হননি তিনি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত শনিবার ভোর ৬টা নাগাদ তিনি বাড়ির ভিতরে যান।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা এলাকায় তখন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। সেখানে দাঁড়িয়েই কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতার অভিযোগ, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজন করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। এমনকি অভিষেকের বাড়িতে ঢোকার পথ আটকে নতুন করে পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু তাঁকে অকারণে হেনস্থা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে প্রতিবাদে নামার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ভাবে কাউকে হেনস্থা করা উচিত নয়।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মমতা ও অভিষেককে পাল্টা আক্রমণ করেছেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বিরোধী জোট বলে বাস্তবে কিছু নেই। তাই সেই জোটে থাকার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই বলেই মনে করেন তিনি।রাতের বেলা রাস্তায় কেন জন্মদিন পালন করা হচ্ছিল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতর আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

‘কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে...’, কালীপুজোর আগে বিস্ফোরক মমতা, পাল্টা তোপ বিজেপির

কালীপুজোর আগের দিন ফের উত্তপ্ত কালীঘাট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত থেকে তাঁর বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। শনিবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন তিনি। এমনকি কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে, মমতা ও অভিষেকের বিরুদ্ধে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।শুক্রবার রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। অভিযোগ, রাস্তা আটকে জন্মদিন পালনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এর পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। দুপক্ষের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির অভিযোগও ওঠে।শনিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন মমতা। হাতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে কথা বলেন তিনি। পাশে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাস্তা ফাঁকা রাখার জন্য সকলের কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, যাঁরা অভিষেককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে আসছেন, তাঁদের স্বাগত। তবে কাউকে রাস্তা আটকে জমায়েত করা যাবে না। প্রতিমা নিয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা খোলা রাখতে হবে।মমতা বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব, রাস্তা ফাঁকা করে দিন। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি তৈরি করা হয়েছে। মহিলাদের শাঁখা ভাঙার অভিযোগও তোলেন তিনি।পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেকের বাড়ির সামনে লাগানো ব্যারিকেড সরানোর দাবিও জানান। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের পদত্যাগও দাবি করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক দিকে হামলা চালানো হচ্ছে, অন্য দিকে মামলা করা হচ্ছে। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, এ ভাবে চলতে থাকলে এক দিন দলটি রাজনৈতিক ভাবে বড় সমস্যায় পড়বে। তাঁর দাবি, এ ভাবে অশান্তি তৈরি করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করবেন বলেও জানান তিনি।অন্য দিকে, মমতার অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময় তৃণমূলই কালীপ্রতিমা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিল। এখন ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।দেবজিৎ আরও দাবি করেন, অভিষেকের জন্মদিনে কেক কাটা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত। কে কেক কাটবেন, তা নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে গোলমাল শুরু হয় বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, এই ঘটনার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী।বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষও মমতা ও অভিষেককে আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী জোটে যোগ দেওয়ার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগ ঠিক নয়। কারণ, তাঁর মতে, বিরোধী জোটের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই। রাতে কেন রাস্তার উপর জন্মদিন পালন করা হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।এ দিকে, শুক্রবার রাতের ঘটনার পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বসানো হয়েছে ব্যারিকেডও।কালীঘাটে এই উত্তেজনার জেরে সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। অভিযোগ, রাস্তা বন্ধ থাকায় দোকানদারদের ক্ষতি হচ্ছে। কালীপ্রতিমা বিক্রেতারাও ক্রেতাদের কাছে প্রতিমা পৌঁছে দিতে পারছেন না। ফলে কালীপুজোর মুখে কালীঘাটের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। তৃণমূল ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপও ক্রমশ বাড়ছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির কালীপুজো ঘিরেও অশান্তি! কালীঘাটে রাস্তা আটকে পুজো, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর বড় হুঁশিয়ারি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে অশান্তির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিতর্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কালীপুজো ঘিরে। কালীঘাটে নিজের বাড়ির প্রবেশপথ আটকে নতুন নতুন কালীপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজনে বাধা দেওয়া হলেও রাতারাতি নতুন পুজো শুরু হচ্ছে। শনিবার দুপুরে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় কালীঘাটে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার মাঝরাতে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীমূর্তি নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। একে অপরকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন দুপক্ষের লোকজন।এর মধ্যেই অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। তা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে দুপক্ষের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।তবে অভিষেকের অনুগামীদের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে। সেই সময় পুলিশ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেই সময়ও কালীঘাটে উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে।মমতার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে ক্লাবগুলি কালীপুজোর আয়োজন করে আসছে, তাদের পুজো করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বাড়িতে ঢোকার রাস্তাও কার্যত আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এ ভাবে অশান্তি চলতে থাকলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন। মমতার কথায়, আমি দরকার হলে আবারও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়ব।অভিষেকের বাড়ির সামনে জন্মদিন পালন ঘিরে রাতভর উত্তেজনা এবং তার পর মমতার বাড়ির কালীপুজো নিয়ে নতুন বিতর্কপরপর এই দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাটে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

ইন্দিরার জরুরি অবস্থা নিয়ে বিস্ফোরক সোনিয়া! সঞ্জয় গান্ধীকে একা দায়ী করতে নারাজ, ফাঁস করলেন কী?

১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সেই সময়কে আজও কালো অধ্যায় হিসাবে দেখা হয়। এ বার সেই জরুরি অবস্থা নিয়েই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তাঁর দাবি, জরুরি অবস্থার সময় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছিল ঠিকই, তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সংবিধান মেনেই। পাশাপাশি, জরুরি অবস্থার সময় হওয়া সমস্ত ভুলের জন্য শুধু সঞ্জয় গান্ধীকে দায়ী করতে রাজি নন তিনি। তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতি তৈরির পিছনে অনেক প্রবীণ নেতা ও আমলারও ভূমিকা ছিল।আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হতে চলেছে সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনী বিলংগিং: আ জার্নি অফ লাভ। বই প্রকাশের আগে একটি সাক্ষাৎকারে জরুরি অবস্থা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন তিনি।সোনিয়া বলেন, জরুরি অবস্থার পর তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, সেই সময় কত বড় ঘটনা ঘটেছিল। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই কাজ করা হয়েছিল সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।জরুরি অবস্থার সময়কার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সঞ্জয় গান্ধীর প্রসঙ্গও তোলেন সোনিয়া। তাঁর মতে, সেই সময়ের সমস্ত ঘটনার জন্য শুধু সঞ্জয়কে দায়ী করা ঠিক নয়। জরুরি অবস্থার সঙ্গে সঞ্জয়ের নাম জড়িয়ে থাকলেও, পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ছিল।সোনিয়ার দাবি, সেই সময় দেশে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছিল। সরকারি দফতর ও বাসে আগুন লাগানো হচ্ছিল। বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি ছড়াচ্ছিল। এমনকি সরকারি আধিকারিক ও সেনাকর্মীদের নির্দেশ অমান্য করার আহ্বানও জানানো হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্দিরা গান্ধীকে প্রবল চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল। একাধিক প্রবীণ নেতা ও আমলার তরফেও তাঁর উপর চাপ তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি সোনিয়ার।সেই সময় রাজীব গান্ধীও মায়ের সঙ্গে সব বিষয়ে একমত ছিলেন না বলে জানিয়েছেন সোনিয়া। তাঁর কথায়, রাজীব সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা ইন্দিরা গান্ধীকে জানাতেন। শেষ পর্যন্ত ইন্দিরা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ভুল সংশোধনের উদ্যোগ নেন।সোনিয়া আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭৭ সালের মার্চে নিজেই লোকসভা নির্বাচনের ঘোষণা করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। সেই সঙ্গে তুলে নেওয়া হয়েছিল জরুরি অবস্থা। পরে জরুরি অবস্থার সময় হওয়া বাড়াবাড়ির জন্য প্রকাশ্যে অনুতাপও জানিয়েছিলেন ইন্দিরা। ক্ষমা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন সোনিয়া। তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই সেই পরিস্থিতির অবসান হয়েছিল।একই সাক্ষাৎকারে গত ১২ বছরে বিজেপি সরকারের আমলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন সোনিয়া। তাঁর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার কথা কি ভুলে গিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী? তাঁর বক্তব্য, সেই সময় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। প্রায় ২১ মাস পর, ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ তা তুলে নেওয়া হয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও তার প্রভাব নিয়ে দেশের রাজনীতিতে বিতর্ক এখনও অব্যাহত। সোনিয়া গান্ধীর নতুন মন্তব্যে সেই পুরনো বিতর্কই আবার সামনে এল।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পাস দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়! বাবার নাম করেই দায় এড়ালেন ইন্দ্রনীলের মেয়ে?

পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় আরও চাপে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর কসবার বাড়ি এবং চন্দননগরের বাংলোয় তল্লাশি চালাল লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল। শুধু তল্লাশিই নয়, ইন্দ্রনীলকে সঙ্গে নিয়েই দুই জায়গায় পৌঁছন গোয়েন্দারা। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে পুজোর প্রিভিউ পাস বিক্রির অভিযোগের তদন্তে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথির খোঁজ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সেই নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার তাঁকে কসবার বহুতলে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। তাঁর উপস্থিতিতেই বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। এরপর ইন্দ্রনীলকে নিয়ে চন্দননগরের বাংলোয় পৌঁছন গোয়েন্দারা। সেখানেও চলে তল্লাশি।লালবাজারের এক কর্তার দাবি, এখনও পর্যন্ত পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় ১৫০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার সঙ্গে এই লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। ওই সংস্থাগুলির বেশ কিছু নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে রয়েছে বলে জেরায় জানতে পারেন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই কসবা ও চন্দননগরে তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেনকে লালবাজারে তলব করা হয়েছিল। তাঁর দুটি সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ একটি সংস্থার প্রায় সাড়ে ২২ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই লেনদেন কী কারণে হয়েছিল, তা জানতে আভেরিকে প্রশ্ন করেন গোয়েন্দারা। পুজোর প্রিভিউ পাস এবং পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর দুটি সংস্থার নথিও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।জেরার মুখে আভেরি জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ইন্দ্রনীল সেন সব কিছু জানেন। এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাঁকে যা করতে বলা হয়েছিল, তিনি শুধু সেটুকুই করেছেন বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন তিনি।এর আগে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দাকেও লালবাজারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, তিনিও গোয়েন্দাদের জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামীই সব কিছু জানতেন। তিনি কিছু জানতেন না।অন্যদিকে, ইন্দ্রনীল সেনের দাবি, মাস আর্টের সেক্রেটারি ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভই সমস্ত লেনদেনের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মাধ্যমেই যাবতীয় টাকা লেনদেন হত বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। ইন্দ্রনীলের বক্তব্য, এই দুর্নীতির মূল মাথা শুভ। যদিও তাঁর এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন শুভ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লেনদেনের বিষয়ে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। এই মামলায় ইন্দ্রনীল-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতিদমন আইনের ধারাও যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সাতসকালে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে চমকে উঠলেন স্থানীয়রা! জলে ভাসছে মহিলার দেহ, বাগুইআটিতে চাঞ্চল্য

পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ! সাতসকালে স্নান করতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার কাছে বাগুইআটির বাগুইপাড়া এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। খুন, আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগুইপাড়া এলাকার ওই পুকুরে নিয়মিত স্নান করতে যান অনেকে। শনিবার সকালে কয়েক জন বাসিন্দা সেখানে স্নান করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ই তাঁদের নজরে আসে পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ। এমন দৃশ্য দেখে তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত খবর দেওয়া হয় বাগুইআটি থানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মৃতার বয়স ৫০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন বলেই মনে করা হচ্ছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে ওই মহিলা জলে তলিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। পরে তাঁর দেহ জলের উপরে ভেসে ওঠে। তবে কীভাবে তিনি পুকুরে পড়লেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যু কি দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আর জি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।পাশাপাশি মৃতার পরিচয় জানারও চেষ্টা চলছে। আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশকর্মীরা। কেউ ওই মহিলাকে চিনতে পারেন কি না, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কালীপুজোর আগের দিন সকালে পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাগুইপাড়া এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal